সারাদেশে সড়ক-মহাসড়কে চাঁদাবাজির অভিযোগ পেয়েছে পুলিশ। এছাড়া নানা অনিয়মের কারণে তিন শতাধিক হাইওয়ে পুলিশ সদস্যের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি চলছে।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র বলছে, হাইওয়ে পুলিশের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে ভাবমূর্তি কিছুটা ক্ষুণ্ন হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে ছয় দফা নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি দেলোয়ার হোসেন মিঞা জানান, সড়ক-মহাসড়কে চাঁদাবাজির অনেক অভিযোগ রয়েছে। গত ১৪ মাসে হাইওয়ে পুলিশের কারও বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলেই তাদের সতর্ক করা হয়।
বাংলাদেশ পণ্য পরিবহন ফেডারেশনের খুলনা বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই বলেন, মেহেরপুর থেকে কারওয়ান বাজারে পণ্য পাঠাতে তিন টনের একটি ট্রাক থেকে ন্যূনতম তিন হাজার টাকা চাঁদাবাজি করা হয়।
গত ৩ জুলাই সিলেট থেকে ঢাকাগামী পণ্যবাহী একটি কাভার্ড ভ্যান আটক করেন মহাসড়কে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা। এক পর্যায়ে তাঁরা অবৈধ পণ্য পরিবহনের অভিযোগ তুলে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসিসহ ছয় পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়।
হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ওই নির্দেশনায় বলা হয়- হাইওয়ে পুলিশের কাছে বিদ্যমান বডিওর্ন ক্যামেরা ডিউটিকালে সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে;
সম্প্রতি রুহুল আমিন নামের এক ট্রাকচালক বলেন, নওগাঁ থেকে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বেগুন পৌঁছে দিতে পথে মোট চাঁদা দিতে হয়েছে দুই হাজার ৭৫০ টাকা।
হাইওয়ে পুলিশ, ট্রাফিক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার নাম ভাঙিয়ে এবং বিভিন্ন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নামে এসব চাঁদা দিতে হয়।
এক্ষেত্রে ভুক্তভোগী লোকজনের তথ্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অনুসন্ধানে হাইওয়েতে চাঁদাবাজির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
এতে ট্রাকভাড়া বেড়ে যায়, বাড়ে পণ্যের দাম।
সদর দপ্তরের এক চিঠিতে বলা হয়- হাইওয়ে পুলিশের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন মিডিয়ায় নেতিবাচক খবর পুলিশ সদর দপ্তরের নজরে এসেছে।
তাই কার্যক্রমে গতিশীলতা এবং অধিক স্বচ্ছতা আনতে ছয় দফা নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ওপরও গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারির খবর পাওয়া গেছে।
এই অভিযোগের তদন্ত চলছে।
আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র বলছে, হাইওয়ে পুলিশের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে ভাবমূর্তি কিছুটা ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এমন প্রেক্ষাপটে ছয় দফা নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
ওই নির্দেশনায় বলা হয়- হাইওয়ে পুলিশের কাছে বিদ্যমান বডিওর্ন ক্যামেরা ডিউটিকালে সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে;
দিনের বেলা হাইওয়ে পুলিশের কাছে থাকতে হবে সব ধরনের যানবাহনের নম্বর প্লেট।
হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযো



