রুক্মিণী বাসন্ত একজন অভিনেত্রী যিনি তার দ্রুতগতিশীল কর্মজীবনের মধ্যে একটি স্থির আশ্রয় খুঁজে পেয়েছেন – ডায়েরি লেখা। এটি একটি সরল, ব্যক্তিগত অনুশীলন যা তাকে ধীর করে, কেন্দ্রীভূত থাকতে এবং তার চারপাশে ঘটে যাওয়া সবকিছুর অর্থ বুঝতে সাহায্য করে। যখনই দিনটি চাহিদাপূর্ণ হয়, সে তার ডায়েরিতে ফিরে আসে নিজের সাথে পুনরায় সংযোগ স্থাপন করতে।
রুক্মিণী বাসন্ত সম্প্রতি রিশাব শেট্টির কন্তারা: চ্যাপ্টার ১ ছবিতে অভিনয় করেছেন। ছবিটি একটি বড় সাফল্য হয়েছে এবং তিনি ছবিতে তার অভিনয়ের জন্য প্রশংসা পেয়েছেন। এখন তিনি দুটি বড় প্যান-ইন্ডিয়ান প্রজেক্টের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন – টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোনআপস ইয়াশের সাথে এবং এনটিআর জুনিয়রের সাথে অত্যন্ত প্রত্যাশিত এনটিআরনীল। রুক্মিণীর জীবন একটি উত্তেজনাপূর্ণ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে এবং প্রতিটি নতুন অধ্যায়ে, তার ডায়েরি তাকে স্থির রাখার একটি শান্ত নোঙ্গর হিসেবে কাজ করে।
রুক্মিণী বাসন্ত তার ডায়েরি লেখার অভ্যাস নিয়ে কথা বলছেন। তিনি বলছেন, ডায়েরি লেখা তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি তার ডায়েরিতে তার চিন্তা, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতা লিখে রাখেন। তিনি বলছেন, ডায়েরি লেখা তাকে তার জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতি সম্পর্কে ভাবতে সাহায্য করে।
রুক্মিণী বাসন্ত তার ডায়েরি লেখার অভ্যাস নিয়ে কথা বলার সময়, তিনি তার জীবনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি বলছেন, তিনি তার ডায়েরিতে তার সমস্ত চিন্তা, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতা লিখে রাখেন। তিনি বলছেন, ডায়েরি লেখা তাকে তার জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতি সম্পর্কে ভাবতে সাহায্য করে।
ডায়েরি লেখা রুক্মিণী বাসন্তের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি তার ডায়েরিতে তার সমস্ত চিন্তা, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতা লিখে রাখেন। তিনি বলছেন, ডায়েরি লেখা তাকে তার জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতি সম্পর্কে ভাবতে সাহায্য করে। তিনি বলছেন, তিনি তার ডায়েরিতে তার সমস্ত চিন্তা, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতা লিখে রাখেন।
রুক্মিণী বাসন্ত তার ডায়েরি লেখার অভ্যাস নিয়ে কথা বলার সময়, তিনি তার জীবনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি বলছেন, তিনি তার ডায়েরিতে তার সমস্ত চিন্তা, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতা লিখে রাখেন। তিনি বলছেন, ডায়েরি লেখা তাকে তার জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতি সম্পর্কে ভাবতে সাহায্য করে।



