ইউক্রেনের নৌবাহিনীর ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে এমটি কায়রোস জাহাজ। এই হামলায় জাহাজের চারজন বাংলাদেশি নাবিক আহত হয়েছেন। তাঁরা বর্তমানে তুরস্কের একটি হোটেলে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
জাহাজের চতুর্থ প্রকৌশলী মাহফুজুল ইসলাম বলেছেন, হামলার সময় তাঁরা কৃষ্ণসাগর অতিক্রম করছিলেন। হঠাৎ করেই ড্রোনের হামলা শুরু হয়। প্রথম হামলায় জাহাজের প্রপেলারে আঘাত লাগে। এর পরে দ্বিতীয় হামলায় জাহাজের তেল ধারণকারী অংশে আঘাত লাগে। এতে জাহাজে আগুন ধরে যায়।
মাহফুজুল ইসলাম বলেছেন, তাঁরা ব্রিজে যাওয়ার পর তুরস্কের কোস্টগার্ডকে জানানো হয়। কোস্টগার্ড এক ঘণ্টা পরে উদ্ধার কাজ শুরু করে। এই হামলায় জাহাজের লাইফবোটও পুড়ে যায়। তাঁরা লাইফজ্যাকেট পরে সাগরে ঝাঁপ দিতে পারেননি, কারণ সেখানে প্রচণ্ড ঠান্ডা ছিল।
মাহফুজুল ইসলামের সাথে আরও তিনজন বাংলাদেশি নাবিক ছিলেন। তাঁরা হলেন কুষ্টিয়ার আল আমিন, ঢাকার ধামরাইয়ের হাবিবুর রহমান এবং চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজগর হোসাইন। তাঁরা সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে এখন তুরস্কের একটি হোটেলে রয়েছেন।
এই হামলায় জাহাজের ১ হাজার ১৬৩ টন জ্বালানি তেল ছড়িয়ে পড়ে। জাহাজের নাবিকরা বাঁচার জন্য সবাই মিলে কাজ করেছেন। তাঁরা সবাই এখন নিরাপদে আছেন।
এই ঘটনায় ইউক্রেনের নৌবাহিনীর ড্রোন হামলা করার কারণ এখনও পরিষ্কার নয়। তবে এটি একটি গুরুতর ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
এই ঘটনায় বাংলাদেশি নাবিকদের বাঁচার কাহিনী একটি অসাধারণ ঘটনা। তাঁরা সবাই এখন নিরাপদে আছেন। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
এই ঘটনার পর ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে পারে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এই ঘটনার পর কী হবে তা এখনও অস্পষ্ট।
এই ঘটনায় বাংলাদেশি নাবিকদের বাঁচার কাহিনী একটি অসাধারণ ঘটনা। তাঁরা সবাই এখন নিরাপদে আছেন। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।



