দশম গ্রেডে বেতনের দাবিতে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছেন। রোববার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এই কর্মবিরতি চলে। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট দশম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করেন।
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা জানিয়েছেন যে, তারা দীর্ঘ ৩১ বছর ধরে দশম গ্রেডে বেতনের দাবি জানিয়েছেন, কিন্তু এখনও তা বাস্তবায়ন হয়নি। তারা ২৫ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে সরকারকে দাবি আদায়ের জন্য সময় দিয়েছিলেন, কিন্তু দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় তারা কর্মবিরতি পালন করেছেন।
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা জানিয়েছেন যে, তারা আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করবেন, যদি তাদের দাবি আদায় না হয়। তারা জানিয়েছেন যে, এই কর্মবিরতি সমস্ত হাসপাতালে পালন করা হবে এবং স্বাস্থ্য সেবা ও চিকিৎসা শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান শাটডাউন ঘোষণা করা হবে।
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের এই কর্মবিরতি স্বাস্থ্য সেবা খাতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই কর্মবিরতির কারণে সমস্যার সম্মুখীন হবে। এই কর্মবিরতি শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্য সেবা প্রদানে সমস্যার সম্মুখীন হবে।
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের এই কর্মবিরতি সম্পর্কে সরকারকে উদ্বেগ প্রকাশ করা উচিত। সরকারকে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের দাবি আদায়ের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। স্বাস্থ্য সেবা খাতে এই কর্মবিরতির প্রভাব কমানোর জন্য সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের এই কর্মবিরতি সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা উচিত। জনগণকে এই কর্মবিরতির কারণ ও পরিণতি সম্পর্কে জানতে হবে। জনগণকে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
স্বাস্থ্য সেবা খাতে এই কর্মবিরতির প্রভাব কমানোর জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। সরকার, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট, স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এবং জনগণকে একসাথে কাজ করে এই কর্মবিরতির প্রভাব কমানোর জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। স্বাস্থ্য সেবা খাতে এই কর্মবিরতির প্রভাব কমানোর জন্য সকলকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
স্বাস্থ্য সেবা খাতে এই কর্মবিরতির প্রভাব কমানোর জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত? সরকার, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট, স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এবং জনগণকে একসাথে কাজ করে এই কর্মবিরতির প্রভাব কমানোর জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। স্বাস্থ্য সেবা খাতে এই কর্মবিরতির প্রভাব কমানোর জন্য সকলকে দায়িত্বশীল হতে হবে।



