আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-১ এ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং আইনজীবী ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে অবমাননা মামলা দায়ের করেছে প্রসিকিউশন। প্রসিকিউশন তিনটি ভিত্তিতে অবমাননার অভিযোগ আনে। প্রথমত, ফজলুর রহমান ট্রাইবুনালের এখতিয়ার চ্যালেঞ্জ করেছেন। দ্বিতীয়ত, তিনি দাবি করেছেন যে আদালতের নিরপেক্ষতার সাথে হস্তক্ষেপ করার জন্য একটি ‘অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা’ রয়েছে। তৃতীয়ত, তিনি প্রসিকিউশনের সমালোচনা করেছেন।
একটি টিভি অনুষ্ঠানে ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘আমি এই আদালতকে মানি না। আমি এই আদালতের রায়কে মানি না।’ তিনি আরও বলেছেন যে প্রসিকিউশনের সবাই ‘শিবির সমর্থক’। প্রসিকিউশনের পক্ষে প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম বলেছেন, ফজলুর রহমান ট্রাইবুনাল আইন বোঝার পরেও এমন মন্তব্য করেছেন।
ট্রাইবুনাল জানিয়েছে যে ফজলুর রহমান বিএনপির একজন রাজনৈতিক উপদেষ্টা, দলীয় মনোনয়ন প্রার্থী এবং সুপ্রীম কোর্টের একজন আইনজীবী। প্রসিকিউশনের পক্ষে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেছেন, ফজলুর রহমানকে আগেও জুলাই বিদ্রোহ নিয়ে মন্তব্য করার জন্য বিএনপি বহিষ্কার করেছিল। তামিম আরও বলেছেন, ফজলুর রহমান বলেছেন যে তিনি ট্রাইবুনালকে মানেন না কারণ এটি ১৯৭১ সালের রাজাকারদের বিচার করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
বিচারক মোহিতুল হক আনাম চৌধুরী বলেছেন, ট্রাইবুনাল আইন ১৯৭৩ সালে প্রণীত হয়েছিল এবং এটি ১৯৭৩ সালের আগে ও পরে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করতে পারে। আদালত আরও বলেছে যে প্রসিকিউশন ট্রাইবুনালের একটি অংশ। ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করার পর, ট্রাইবুনাল ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলিকে গুরুতর বলে মনে করেছে এবং ৩০ নভেম্বর বিষয়টি শোনার জন্য দিন নির্ধারণ করেছে।
এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে বলা যায়, বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে পারে। বিএনপি এই ঘটনাকে তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখতে পারে। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ এই ঘটনাকে বিএনপির আইন অমান্যকারী মনোভাবের প্রমাণ হিসেবে দেখতে পারে।
এই বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে ট্রাইবুনালের পরবর্তী শুনানির পর। ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে অবমাননা মামলা চলমান থাকায় তার রাজনৈতিক ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।
বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের মধ্যে এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে আগামী দিনগুলিতে। বিএনপি এই ঘটনাকে তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হামলা হিসেবে দেখতে পারে। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ এই ঘটনাকে বিএনপির আইন অমান্যকারী মনোভাবের প্রমাণ হিসেবে দেখতে পারে।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হবে। বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের মধ্যে উত্তেজনা বাড়বে। এই ঘটনার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট আরও জটিল হবে।
এই বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে ট্রাইবুনালের পরবর্তী শুনানির পর। ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে অবমাননা মামলা চলমান থাকায় তার রাজনৈতিক ভবিষ্যত অন



