বাংলাদেশ মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মানব পাচার বিরোধী প্রতিবেদনে টায়ার ২-এ রয়ে গেছে। এটি ষষ্ঠ বছর ধরে বাংলাদেশ এই তালিকায় রয়েছে। এর মানে হলো বাংলাদেশ মানব পাচার নির্মূলে উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, কিন্তু সর্বোচ্চ তালিকায় উঠতে পারেনি।
প্রতিবেদনটি বলেছে যে বাংলাদেশ সরকার মানব পাচার বিরোধী কার্যক্রমে উন্নতি করেছে। সরকার পাচারের শিকার ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের সেবা প্রদানের জন্য প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এছাড়াও সরকার জাতীয় রেফারেল ব্যবস্থা (এনআরএম) গ্রহণ করেছে।
প্রতিবেদনটি আরও বলেছে যে সরকার অভ্যন্তরীণ পাচার, যেমন যৌন পাচার এবং শিশু শ্রমের বিরুদ্ধে কার্যক্রম গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছে। পাচারকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত, বিচার এবং দণ্ড কমে গেছে। শ্রম পরিদর্শকরা অপর্যাপ্ত সংস্থানের কারণে অসংগঠিত খাতের নিরীক্ষণ করতে পারেনি। পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা এবং পুনর্বাসন সেবা অপর্যাপ্ত ছিল।
প্রতিবেদনটি সরকারকে পাচার বিরোধী কার্যক্রমে উন্নতি করার জন্য কিছু সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে পাচার বিরোধী আইন প্রয়োগ করা এবং পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।
বাংলাদেশ সরকারকে মানব পাচার বিরোধী কার্যক্রমে উন্নতি করার জন্য আরও কাজ করতে হবে। সরকারকে পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা এবং পুনর্বাসন সেবা প্রদানের জন্য আরও কাজ করতে হবে। এছাড়াও সরকারকে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আরও কাজ করতে হবে।
বাংলাদেশ সরকার মানব পাচার বিরোধী কার্যক্রমে উন্নতি করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাহায্য গ্রহণ করতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশ সরকারকে পাচার বিরোধী কার্যক্রমে উন্নতি করার জন্য সহায়তা প্রদান করতে পারে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশ সরকারকে পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা এবং পুনর্বাসন সেবা প্রদানের জন্য সহায়তা প্রদান করতে পারে।
বাংলাদেশ সরকারকে মানব পাচার বিরোধী কার্যক্রমে উন্নতি করার জন্য আরও কাজ করতে হবে। সরকারকে পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা এবং পুনর্বাসন সেবা প্রদানের জন্য আরও কাজ করতে হবে। এছাড়াও সরকারকে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আরও কাজ করতে হবে।



