আয়ারল্যান্ডে মদ্যপান একটি গভীরভাবে প্রোথিত জীবনধারা। এখানে সামাজিক জীবনের অংশ হিসেবে মদ্যপানকে দেখা হয়। পাবগুলো সম্প্রদায়ের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করে, যেখানে প্রায়শই লাইভ সঙ্গীত হয়। এই দেশে মদ্যপান শুরু হয় অপ্রাপ্তবয়স্ক বয়সে, প্রায় ১৪ বা ১৫ বছর বয়সে।
আয়ারল্যান্ডের মদ্যপানের সাথে জটিল সম্পর্ক রয়েছে। অনেকে মদ্যপানকে সামাজিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখে। বিশাল ব্র্যান্ড যেমন গিনেস এবং জেমসনস এই দেশের প্রধান রফতানি পণ্য।
২০২০ সাল থেকে, আয়ারল্যান্ডের সুপারমার্কেট এবং কর্ণার শপগুলোতে মদ্যপানের পণ্য এবং সাধারণ পণ্যের মধ্যে শারীরিক বাধা তৈরি করা হয়েছে। কিছু মদ্যপানের পণ্যে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সতর্কতা লেবেল রয়েছে। ২০২৩ সালে আইরিশ আইনে স্বাক্ষরিত এই নতুন লেবেলগুলো ইতিমধ্যেই পাবগুলো এবং সুপারমার্কেটে বিক্রি হচ্ছে।
কিন্তু সরকার এই লেবেলগুলোর বাধ্যতামূলক প্রবর্তন ২০২৮ পর্যন্ত বিলম্বিত করেছে, বিশ্ব বাণিজ্যের অনিশ্চয়তার কারণে। অনেকে মনে করে এটি মদ্যপান শিল্পের লবিংয়ের ফল। ড্রিংকস আয়ারল্যান্ড, মদ্যপান শিল্পের সংগঠন, বলেছে যে তারা সরকারের কাছে স্বাস্থ্য সতর্কতা লেবেল নিয়ে ‘শ্বাস নেওয়ার’ সময় চেয়েছে এবং তারা মনে করে এই লেবেলগুলো ইইউ-ব্যাপী একমত হওয়া উচিত।
আয়ারল্যান্ডে মদ্যপানের সংস্কৃতি পরিবর্তন করা কঠিন হতে পারে। কিন্তু স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর জন্য সরকার এবং স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা উচিত। আমরা কি আয়ারল্যান্ডের মদ্যপানের সংস্কৃতি পরিবর্তন করতে পারি? আমাদের কি করা উচিত?
আয়ারল্যান্ডের মদ্যপানের সংস্কৃতি পরিবর্তন করার জন্য, আমাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে হবে। আমাদের মদ্যপানের ক্ষতি সম্পর্কে জানতে হবে এবং সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা কি আয়ারল্যান্ডের মদ্যপানের সংস্কৃতি পরিবর্তন করতে পারি? আমাদের কি করা উচিত?



