ব্র্যাক আয়োজিত ‘কার্নিভাল অব চেঞ্জ’ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ২৫০ জনের বেশি তরুণ অংশ নিয়েছে। এই অনুষ্ঠানে তরুণরা তাদের উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতা প্রদর্শন করেছে।
সাভারের ব্র্যাক সিডিএমএতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রদর্শনীর পাশাপাশি মতবিনিময়, আলোচনা ও কর্মশালাসহ নানা আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে তরুণরা তাদের পণ্য বিক্রির পাশাপাশি কাজের প্রচারণার সুযোগও পেয়েছে।
‘জলশিখা’ নামের একটি দল এমন উদ্ভাবনী পণ্য নিয়ে হাজির হয়েছিল যা পরিবেশবান্ধব। তারা নারিকেলের মালা দিয়ে তৈরি ‘পরিবেশবান্ধব কয়লা’ নিয়ে এসেছিল। এই দলের সদস্যরা বলেছেন যে তারা একটি জরিপ করতে হাসপাতালের সামনে গিয়ে এমন কিছু করার ধারণা পেয়েছিলেন।
অন্যদিকে, ‘গুডডু টয়েজ’ বিক্রয়কেন্দ্রে প্রদর্শন করা হয় কাঠের তৈরি শিশুদের খেলনা। এই দলের সদস্যরা শিশুদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে দেখতে পেয়েছিলেন যে বাজার ছেয়ে আছে প্লাস্টিকের খেলনায়। এরপর তারা কাঠ দিয়ে খেলনা তৈরির কাজ শুরু করেন।
এই অনুষ্ঠানে প্রথম দিনের আয়োজন শুরু হয় ‘ইউথ ভয়েসেস একোয়িং দ্য এসেন্স অব চেঞ্জমেকিং’ দিয়ে। এরপর হয় ‘দ্য ওয়ে টু সাকসেস’ বা ‘সাফল্যের পথ’ শীর্ষক বক্তৃতা। এতে ব্র্যাকের হিউম্যান ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট ক্লাস্টারের পরিচালক সাফি রহমান খান বলেন যে সাফল্যের কোনো সার্বজনীন সংজ্ঞা নেই, প্রতিটি মানুষ তার জীবনযাপনের অভিজ্ঞতা থেকে সাফল্যকে সংজ্ঞায়িত করে।
এই অনুষ্ঠানে তরুণরা তাদের উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতা প্রদর্শন করেছে। এটি তাদের জন্য একটি ভালো সুযোগ ছিল তাদের পণ্য বিক্রির পাশাপাশি কাজের প্রচারণার জন্য। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তরুণরা তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য অনুপ্রেরণা পেয়েছে।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: আপনি কীভাবে তরুণদের উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করবেন?



