ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল এবং কলেজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ফাইটার জেট বিমান বিপত্তির পর আহত আরেক শিক্ষার্থী চার মাস পর জাতীয় প্লাস্টিক সার্জারি ও বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। এই শিক্ষার্থীর নাম শেখ সাইয়েবা মেহজাবিন, যিনি মাইলস্টোন স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। জাতীয় প্লাস্টিক সার্জারি ও বার্ন ইনস্টিটিউটের রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসার ডাক্তার শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন যে, মেহজাবিন ২২ শতাংশ জখম হয়েছিলেন এবং আজ তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এই মারাত্মক বিমান বিপত্তি ২১ জুলাই ঘটেছিল, যখন একটি এফটি-৭ বিজি আই ফাইটার জেট কুর্মিটোলা এয়ারবেস থেকে উড়ে যাওয়ার পর একটি বিশাল অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়, যার ফলে ৩৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং অনেকে আহত হয়েছেন।
মাইলস্টোন স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা এই বিমান বিপত্তিতে আহত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকে গুরুতর আহত হয়েছিলেন এবং তাদের চিকিৎসা চলছে। এই বিমান বিপত্তি দেশের জনগণের জন্য একটি বড় ধাক্কা ছিল। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই বিমান বিপত্তির তদন্ত করছেন এবং দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার চেষ্টা করছেন।
এই বিমান বিপত্তির পর দেশের জনগণ শোকাহত। তারা মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য প্রার্থনা করছেন। এই বিমান বিপত্তি দেশের জনগণের জন্য একটি বড় শিক্ষা। তারা এই বিমান বিপত্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে এই ধরনের বিমান বিপত্তি রোধ করার জন্য কাজ করছেন।
সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই বিমান বিপত্তির তদন্ত করছেন এবং দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার চেষ্টা করছেন। তারা এই বিমান বিপত্তি রোধ করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এই বিমান বিপত্তি দেশের জনগণের জন্য একটি বড় শিক্ষা। তারা এই বিমান বিপত্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে এই ধরনের বিমান বিপত্তি রোধ করার জন্য কাজ করছেন।
এই বিমান বিপত্তির পর দেশের জনগণ কীভাবে এই ধরনের বিমান বিপত্তি রোধ করতে পারে? এই বিমান বিপত্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে এই ধরনের বিমান বিপত্তি রোধ করার জন্য কাজ করা উচিত। আমাদের এই বিমান বিপত্তি থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের বিমান বিপত্তি রোধ করার জন্য কাজ করতে হবে।



