বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত খেলাপি ঋণের সংকটের মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মানসুর জানিয়েছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমাতে পাঁচ থেকে দশ বছর লাগতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৬.৪৪ লাখ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩৬ শতাংশ। এছাড়াও, নেট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২৬.৪ শতাংশ, যা ৪.১৫ লাখ কোটি টাকা।
ব্যবসায়ী নেতারা খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমাতে তাড়াহুড়ো করছেন। তারা বলছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমাতে হলে সরকারকে তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নিতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মানসুর বলেছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমাতে পাঁচ থেকে দশ বছর লাগতে পারে। তিনি বলেছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমাতে হলে সরকারকে সুস্থ অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করতে হবে।
ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমাতে হলে সরকারকে তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নিতে হবে। তারা বলছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমাতে হলে সরকারকে ব্যাংকিং খাতে সুস্থ অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করতে হবে।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের সংকট একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই সংকট কমাতে হলে সরকারকে তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমাতে হলে সরকারকে ব্যাংকিং খাতে সুস্থ অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করতে হবে।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের সংকট কমাতে হলে সরকারকে তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমাতে হলে সরকারকে ব্যাংকিং খাতে সুস্থ অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করতে হবে।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের সংকট একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই সংকট কমাতে হলে সরকারকে তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমাতে হলে সরকারকে ব্যাংকিং খাতে সুস্থ অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করতে হবে।



