বাংলাদেশের অর্থনীতি গ্যাসনির্ভর। বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শিল্প ও গৃহস্থালিতে গ্যাস প্রধান জ্বালানি। কিন্তু মজুত ফুরিয়ে যাওয়ায় গ্যাস উৎপাদন কমছে। একের পর এক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হচ্ছে। গ্যাসের অভাবে শিল্পকারখানার চাকা ঘুরছে না। বাসাবাড়ির চুলাও জ্বলছে না।
দেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু সরবরাহ হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অর্থাৎ গড়ে দেড় হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি থাকছে। পেট্রোবাংলার সর্বশেষ সমীক্ষা অনুযায়ী দেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুত আগামী পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে শেষ হয়ে আসবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে জ্বালানি সংকটের কারণে বাংলাদেশ বড় ধরনের হুমকিতে পড়তে যাচ্ছে। দেশে কয়লার কিছু সম্ভাবনাময় মজুত থাকলেও এ খাতে কোনো কার্যকর পরিকল্পনা বা উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতেও আশানুরূপ অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।
জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের অর্থনীতি বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে। সরকারকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কয়লা ও অন্যান্য জ্বালানি খাতে উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা করতে হবে।
বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ সংকট মোকাবেলা করতে সরকার, বেসরকারি খাত ও জনগণকে একসাথে কাজ করতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো, কয়লা ও অন্যান্য জ্বালানি খাতে উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা করা এবং জ্বালানি সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
জ্বালানি সংকট মোকাবেলার জন্য সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো, কয়লা ও অন্যান্য জ্বালানি খাতে উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা করা এবং জ্বালানি সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। এছাড়াও, জ্বালানি সংকট মোকাবেলার জন্য সরকারকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গ্রহণ করতে হবে।
জ্বালানি সংকট একটি বৈশ্বিক সমস্যা। বাংলাদেশ এককভাবে এ সমস্যা মোকাবেলা করতে পারবে না। তাই, সরকারকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গ্রহণ করতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো, কয়লা ও অন্যান্য জ্বালানি খাতে উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা করা এবং জ্বালানি সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
জ্বালানি সংকট মোকাবেলার জন্য সরকার, বেসরকারি খাত ও জনগণকে একসাথে কাজ করতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো, কয়লা ও অন্যান্য জ্বালানি খাতে উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা করা এবং জ্বালানি সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। এছাড়াও, সরকারকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গ্রহণ করতে হবে।



