23.2 C
Dhaka
Tuesday, February 24, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের প্যাকিস্তান খেলোয়াড়ের অন্তর্ভুক্তি নীতি ও বাস্তবতা

ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের প্যাকিস্তান খেলোয়াড়ের অন্তর্ভুক্তি নীতি ও বাস্তবতা

ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড) সম্প্রতি দ্য হানড্রেডের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে একটি চিঠি পাঠিয়ে খেলোয়াড় নির্বাচনকে ক্রীড়া ভিত্তিক, উপলভ্যতা ও দলীয় কৌশলের ওপর নির্ভরশীল বলে জোর দিয়েছে। একই সঙ্গে কোনো জাতীয়তার কারণে কোনো খেলোয়াড়কে বাদ দেওয়া উচিত নয়, এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দ্য হানড্রেডের সিইও বিক্রম ব্যানার্জি এই নীতি অনুসরণে দলগুলোকে উৎসাহিত করে বলেছেন, নির্বাচনের সময় ক্রীড়া যোগ্যতা সর্বোচ্চ মানদণ্ড হওয়া দরকার। তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিটি দলকে তাদের পারফরম্যান্সের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী সেরা আন্তর্জাতিক ও দেশীয় প্রতিভা বেছে নেওয়া উচিত।

ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের চিঠিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, “খেলোয়াড়ের নির্বাচন সর্বদা ক্রীড়া যুক্তি, উপলভ্যতা এবং দলীয় পারফরম্যান্স কৌশল/প্রয়োজনের ভিত্তিতে হতে হবে। কোনো খেলোয়াড়কে তার জাতীয়তার ভিত্তিতে বাদ দেওয়া উচিত নয়, এবং যদি কোনো দল এমন নীতি অনুসরণ করে তা প্রমাণিত হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা তদন্তের অধিকার রাখে।” এই বক্তব্যটি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছে দু-এক রাত আগে পৌঁছেছে।

তবে, ঐ চিঠিতে প্রকাশিত নীতির সঙ্গে বাস্তবতার মধ্যে স্পষ্ট বৈসাম্য দেখা যায়। গত পাঁচ বছর ধরে দ্য হানড্রেডের তিনটি মৌসুমে (২০২১, ২০২২ ও ২০২৫) মাত্র দুইজন প্যাকিস্তান খেলোয়াড়ই অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। তাছাড়া, পাঁচটি মৌসুমে কোনো প্যাকিস্তান নারী খেলোয়াড়ের নাম তালিকায় দেখা যায়নি।

২০২৩ এবং ২০২৪ মৌসুমে যথাক্রমে ছয় ও চারজন প্যাকিস্তান খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণের রেকর্ড রয়েছে, তবে অধিকাংশ মৌসুমে আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে ছয়টি দলই প্যাকিস্তান খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেনি। এই তথ্যগুলো দেখায় যে প্যাকিস্তান খেলোয়াড়ের উপস্থিতি এখনও সীমিত।

গত বছর ড্রাফটে কোনো প্যাকিস্তান খেলোয়াড়ের নাম উঠে না। তবে সিজনে দুইজন প্যাকিস্তান ক্রিকেটার—ইমাদ ওয়াসিম এবং মোহাম্মদ আমির—প্রতিস্থাপন হিসেবে যোগদান করেন। তাদের অংশগ্রহণই একমাত্র প্যাকিস্তান প্রতিনিধিত্বের উদাহরণ।

দ্য হানড্রেডের দল গঠন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি স্কোয়াডে ১৫ থেকে ১৬ জন খেলোয়াড় থাকতে পারে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ চারজন বিদেশি খেলোয়াড়ের সীমা নির্ধারিত। এই সীমা স্কোয়াডের মোট সংখ্যা এবং ম্যাচের একাদশ খেলোয়াড়ের উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে দুইজন বিদেশি খেলোয়াড় সরাসরি সই করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, ফলে অডশনে শুধুমাত্র দুইটি বিদেশি স্লট অবশিষ্ট থাকে। এই শর্তে, যদি কোনো দলকে এক বা দুইটি বিদেশি স্লটে প্যাকিস্তান খেলোয়াড় বেছে নিতে হয়, তবে তা সরাসরি নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের এই চিঠি এবং বাস্তবিক ডেটার মধ্যে স্পষ্ট বিরোধ দেখা যায়। যদিও নীতি অনুযায়ী জাতীয়তার ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য না করার কথা বলা হয়েছে, তবুও ঐতিহাসিকভাবে প্যাকিস্তান খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ সীমিতই রয়ে গেছে। এই বৈপরীত্য ভবিষ্যৎ অডশনে দলগুলোকে কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করে।

দ্য হানড্রেডের অডশন এখনো আসন্ন, এবং ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে এই নীতি ও বাস্তবিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে সমন্বয় করতে হবে। প্যাকিস্তান খেলোয়াড়ের অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে হলে দলগুলোকে ন্যায়সঙ্গতভাবে বিদেশি স্লট ব্যবহার করতে হবে, যা শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টের গুণগত মান ও আন্তর্জাতিক আকর্ষণ বাড়াতে সহায়তা করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Cricbuzz
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments