২৪ ফেব্রুয়ারি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আলি আলহামুদি দুজনই ঢাকা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে একত্রিত হন। দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্ব ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের পুনর্ব্যক্তি এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল। বৈঠকে শ্রম ভিসা পুনরায় চালু এবং ব্যবসা‑ট্রানজিট ভিসার সহজতর করার অনুরোধও তুলে ধরা হয়।
আবদুল্লাহ আলি আলহামুদি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত, ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান হলের বড় টেবিলে অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যা আলোচনার গুরুত্বকে নির্দেশ করে।
বৈঠকে উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে গড়ে ওঠা ঐতিহাসিক বন্ধুত্বকে পুনরায় জোর দিয়ে বলেছে। কৌশলগত অংশীদারিত্বের প্রসার ও গভীরতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়। এই সমঝোতা ভবিষ্যতে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে আরও সহযোগিতা নিশ্চিত করবে।
ড. খলিলুর রহমান সংযুক্ত আরব আমিরাতের ১.২ মিলিয়ন বাংলাদেশি প্রবাসীকে আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য দেশের প্রশংসা করেন। তিনি শ্রম ভিসা পুনরায় চালু করার পাশাপাশি ব্যবসা ও ট্রানজিট ভিসার প্রক্রিয়া সহজ করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। এই পদক্ষেপগুলো কর্মসংস্থান সুযোগ বাড়াবে এবং দু’দেশের বাণিজ্যিক লেনদেনকে ত্বরান্বিত করবে। এছাড়া, ভিসা নীতির নমনীয়তা দ্বিপাক্ষিক মানুষের চলাচলকে সহজ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
উভয় সরকারই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বিভিন্ন ক্ষেত্রেই গভীর করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। মানুষ‑থেকে‑মানুষ সম্পর্ক বাড়িয়ে উভয় দেশের নাগরিকের পারস্পরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ভবিষ্যতে আরও উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ও কর্মশালা পরিকল্পনা করা হয়েছে।
ড. খলিলুর রহমান সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উষ্ণ স্বাগত ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতির অধীনে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে বিস্তৃত কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে রূপান্তর করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। এই নীতি অনুযায়ী, উভয় দেশই পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গড়ে তুলবে। ফলে, দুই দেশের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রের সংযোগ আরও মজবুত হবে।
বৈঠকে বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (SEPA) দ্রুত সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়। বাণিজ্য, জ্বালানি, অব



