26.5 C
Dhaka
Tuesday, February 24, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাশিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পেলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক...

শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পেলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. সোহেল

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের একান্ত সচিব পদে নতুন নাম যুক্ত হলেন, যিনি একই সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন। এই সিদ্ধান্তটি মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অধিদপ্তরের বর্তমান পরিচালক, অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে মন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগটি মন্ত্রীর পদধারী অবস্থায় অথবা তিনি নিজে এই পদে সোহেলকে রাখতে ইচ্ছা প্রকাশ করলে পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

প্রজ্ঞাপনের স্বাক্ষরকারী হিসেবে সিনিয়র সহকারী সচিব রাজিবুল আলমের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নথিপত্রের অনুমোদন ও প্রকাশের দায়িত্বে আছেন, ফলে এই নিয়োগের আইনি বৈধতা নিশ্চিত হয়েছে।

নিয়োগের শর্তে বলা হয়েছে, সোহেল তার নিজস্ব দায়িত্বের পাশাপাশি একান্ত সচিবের দায়িত্বও পালন করবেন। অর্থাৎ, তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালকের কাজ চালিয়ে যাবেন এবং একই সঙ্গে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহায়ক হিসেবে কাজ করবেন। এই দ্বৈত দায়িত্বের মেয়াদ মন্ত্রীর পদধারী অবস্থার সঙ্গে যুক্ত।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করার জন্য সোহেলকে কর্মকর্তা বিধি অনুযায়ী দায়িত্বভার ভাতা প্রদান করা হবে। এই ভাতা তার মূল বেতনের পাশাপাশি অতিরিক্ত কাজের ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

অধ্যাপক ড. সোহেল, যিনি দীর্ঘদিন ধরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালনা করছেন, তার কর্মজীবনে বিভিন্ন শিক্ষামূলক নীতি ও প্রকল্পের তত্ত্বাবধান করেছেন। তার অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতা মন্ত্রীর একান্ত সচিবের পদে তাকে উপযুক্ত প্রার্থী করে তুলেছে।

একান্ত সচিবের কাজের মধ্যে মন্ত্রীর দৈনন্দিন সময়সূচি সমন্বয়, নথিপত্রের প্রস্তুতি, এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় সাধন অন্তর্ভুক্ত। এই দায়িত্বে সোহেল মন্ত্রীর নীতি নির্ধারণে সরাসরি সহায়তা করবেন এবং তার সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নে ত্বরান্বিত ভূমিকা রাখবেন।

দুইটি গুরুত্বপূর্ণ পদ একসাথে পালন করার ফলে সোহেলকে উভয় দিক থেকে সুবিধা হবে। অধিদপ্তরের নীতি ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি ভাগ করে নেওয়া সম্ভব হবে, ফলে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হতে পারে। একই সঙ্গে, মন্ত্রীর দিকনির্দেশনা অধিদপ্তরের কার্যক্রমে দ্রুত পৌঁছাবে।

প্রায়োগিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, এমন দ্বৈত দায়িত্বে কর্মীকে সময় ব্যবস্থাপনা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে বিশেষ মনোযোগ দিতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, সোহেলকে অধিদপ্তরের সভা, প্রকল্প পর্যবেক্ষণ এবং মন্ত্রীর বৈঠকের প্রস্তুতি একসাথে সামলাতে হবে। এই ধরনের কাজের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক স্টাফের সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ।

অধিদপ্তরের কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সোহেল সম্ভবত কিছু দায়িত্ব সহকর্মীদের মধ্যে ভাগ করে নিতে পারেন। তবে, প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, তিনি মূল দায়িত্বের অধিকারী থাকবেন এবং অতিরিক্ত ভাতা পাবেন, যা তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে।

এই ধরনের প্রশাসনিক পদবিন্যাস বাংলাদেশে মাঝে মাঝে দেখা যায়, যেখানে দক্ষ কর্মকর্তা একাধিক দায়িত্বে নিযুক্ত হন। এটি সরকারী কাজের দক্ষতা বাড়ানোর একটি প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে কাজের গুণগত মান বজায় রাখতে যথাযথ সমন্বয় প্রয়োজন।

শিক্ষা খাতের কর্মী, শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা যদি মন্ত্রীর দিকনির্দেশনা বা অধিদপ্তরের নীতি সংক্রান্ত কোনো তথ্যের প্রয়োজন অনুভব করেন, তবে এখন সরাসরি মন্ত্রীর একান্ত সচিবের মাধ্যমে যোগাযোগ করা সহজ হবে। এই সুযোগটি ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন বা প্রস্তাবনা দ্রুত উপযুক্ত বিভাগে পৌঁছাতে পারে।

সর্বশেষে, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও নীতি বাস্তবায়নে সোহেলের দ্বৈত ভূমিকা কীভাবে প্রভাব ফেলবে তা সময়ের সাথে স্পষ্ট হবে। তবে, তার অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বের স্বীকৃতি নিশ্চিত করে যে, শিক্ষামন্ত্রীর নিকটস্থ সহায়ক হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments