26.5 C
Dhaka
Tuesday, February 24, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধকুড়িগ্রাম রাজারহাটে গৃহবধূর গলা বেঁধে আত্মহত্যা, স্বামী পলাতক

কুড়িগ্রাম রাজারহাটে গৃহবধূর গলা বেঁধে আত্মহত্যা, স্বামী পলাতক

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলায় ২৪ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল দশটায় এক গৃহবধূকে গলা বেঁধে আত্মহত্যা করা পাওয়া যায়। ২৫ বছর বয়সী নাসরিন বেগম, যিনি স্থানীয় পোল্ট্রি বিক্রেতা নূর আলমের স্ত্রী, চান্দামারী গ্রাম, রাজারহাট সদর ইউনিয়নের এক বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছেন।

সকালের সময় প্রতিবেশীরা নাসরিনের বাড়িতে ডাকা-ডাকিয়ে কোনো সাড়া না পেয়ে তার শোবার ঘরে প্রবেশ করে। ঘরের কোণায় তিনি গলার চারপাশে ওড়না বেঁধে, দেয়ালের সঙ্গে যুক্ত করে ঝুলে আছেন দেখা যায়। উপস্থিত পুলিশ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে।

রাজারহাট থানের অফিসার ইনচার্জ আবদুল ওয়াদুদ ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, মৃতদেহে কোনো শারীরিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের সম্ভাবনা উল্লেখ করা হয়েছে, তবে কোনো নির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করা যায়নি।

মৃতদেহের অটোপ্সি ও বিশদ পরীক্ষা করার জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়েছে। অটোপ্সি ফলাফল পাওয়া পর্যন্ত আত্মহত্যা বা অন্য কোনো অপরাধের সম্ভাবনা নিয়ে তদন্ত চলবে।

ঘটনার পর নূর আলমকে পুলিশ অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে তিনি পলাতক অবস্থায় আছেন এবং তার অবস্থান জানার জন্য অনুসন্ধান বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বামীর পলায়নকে নিয়ে স্থানীয় মানুষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

রাজারহাট থানে ঘটনাটির জন্য একটি ইউডি (অপরাধমূলক মামলা) দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি স্থানীয় আদালতে দাখিলের পর পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে।

পুলিশের মতে, মৃতদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন না থাকায় গলা বেঁধে ঝুলে থাকা পদ্ধতি আত্মহত্যার ইঙ্গিত দেয়। তবে তদন্তের সময় স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের প্রকৃতি ও তীব্রতা সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

স্থানীয় সমাজে এই ধরনের ঘটনা বিরল, ফলে গ্রামবাসীরা শোক প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা ও পারিবারিক সমস্যার সমাধানের জন্য সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

অধিক তথ্যের জন্য রাজারহাট থানের তদন্ত দল নাসরিনের পরিবার ও প্রতিবেশীদের সাক্ষাৎকার নেবে এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ করবে। তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী আদালতে উপস্থাপিত হবে।

এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও সামাজিক সংগঠনগুলো পরিবারিক সমস্যার সমাধানে পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করতে প্রস্তুত রয়েছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা ও পরামর্শের গুরুত্বও পুনরায় তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, নাসরিনের পরিবারে আর্থিক ও পারিবারিক চাপের সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও তদন্তের অধীনে। পুলিশ ও আদালত উভয়ই যথাযথ প্রমাণ সংগ্রহের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের চেষ্টা করবে।

এই ঘটনার পরবর্তী ধাপগুলোতে অটোপ্সি রিপোর্ট, স্বামীর অনুসন্ধান এবং পারিবারিক বিরোধের বিশদ তদন্ত অন্তর্ভুক্ত থাকবে। মামলার ফলাফল ও আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া মাত্রই জনসাধারণকে জানানো হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments