30.5 C
Dhaka
Tuesday, February 24, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবাংলাদেশ সরকার শৃঙ্খলা জোরদার করতে সকল সরকারি কর্মীর উপস্থিতি-প্রস্থানের নির্দেশনা জারি

বাংলাদেশ সরকার শৃঙ্খলা জোরদার করতে সকল সরকারি কর্মীর উপস্থিতি-প্রস্থানের নির্দেশনা জারি

বাংলাদেশ সরকার মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাধ্যমে একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করে, যাতে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিতি ও প্রস্থান নিশ্চিত করা হয়। নির্দেশনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সময়মত উপস্থিতি ও ত্যাগের বাধ্যবাধকতা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসককে আনুষ্ঠানিক চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে। চিঠিতে নির্দেশনা অনুসরণ না করলে প্রয়োজনীয় শাসনব্যবস্থা প্রয়োগের সম্ভাবনা উল্লেখ করা হয়েছে।

এই নির্দেশনা সকল স্তরের সরকারি কর্মচারীকে লক্ষ্য করে, যার মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় সংস্থা, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অফিস অন্তর্ভুক্ত। একই সঙ্গে স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মীদেরও এই নিয়মের আওতায় আনা হয়েছে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, “সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯” এবং “সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪” অনুযায়ী কর্মচারীদের নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিতি এবং নির্ধারিত সময়ে প্রস্থান করা বাধ্যতামূলক। এই বিধিমালার ভিত্তিতে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীকে অফিসে সময়মতো পৌঁছাতে এবং নির্ধারিত সময়ে ত্যাগ করতে হবে, তা ছুটির দিন হোক বা স্বাভাবিক কর্মদিবস। চিঠিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাপ্তাহিক বা অন্যান্য ছুটির দিনে কর্মস্থল ত্যাগের জন্য স্ব-অনুমোদন নয়, বরং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।

মাঠ পর্যায়ের অফিসগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ছুটির দিনে কর্মস্থল ত্যাগের ক্ষেত্রে পূর্ব অনুমোদন পেতে হবে এবং তা লিখিতভাবে নথিভুক্ত করতে হবে। এই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করবে যে, অনধিকারী অনুপস্থিতি বা অতিরিক্ত ছুটি নেওয়া রোধ হবে।

জেলা প্রশাসক ও উপজেলা পরিষদের দায়িত্বে রয়েছে এই নির্দেশনা তাদের অধীনে থাকা সকল অফিসে প্রয়োগ করা এবং কর্মচারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। তারা সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও রিপোর্ট করার নির্দেশও পেয়েছেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ চিঠিতে উল্লেখ করেছে যে, প্রতিটি দপ্তর ও সংস্থাকে এই নির্দেশনা অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং তাদের কর্মচারীদের মধ্যে যথাযথ নির্দেশনা প্রদান করতে হবে। এছাড়া, অনুপালনকারী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাসনমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই নির্দেশনার লক্ষ্য হল সরকারি সেবার গুণগত মান উন্নত করা এবং কর্মক্ষেত্রের শৃঙ্খলা বজায় রাখা। সময়মতো উপস্থিতি ও প্রস্থান নিশ্চিত করা হলে কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং নাগরিক সেবায় দ্রুততা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন থেকে এই নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং কোনো ব্যতিক্রম ছাড়া সকল কর্মচারীর উপস্থিতি-প্রস্থানের রেকর্ড সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। তদুপরি, নিয়মের লঙ্ঘন ঘটলে তা দ্রুত সনাক্ত করে শাসনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাংলাদেশ সরকার এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপ হিসেবে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া চালু করবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত নির্দেশনা প্রদান করা হবে।

সারসংক্ষেপে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এই জরুরি নির্দেশনা শৃঙ্খলা জোরদার করার লক্ষ্যে সকল সরকারি কর্মচারীর উপস্থিতি ও প্রস্থানের নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করবে, যা সরকারি সেবার কার্যকারিতা ও নাগরিক সন্তুষ্টি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments