সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার ইইট ম্যাচে ইংল্যান্ড শ্রীলঙ্কাকে ১৪৬ রান লক্ষ্য করে ৫১ রানে পরাজিত করে শিরোপা রক্ষায় সফল হয়েছে। শ্রীলঙ্কা ১৪৬ রানে সীমাবদ্ধ হতে না পারায় ইংল্যান্ডের লক্ষ্য অর্জন সহজ হয়ে যায়।
ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে চারটি উইকেট দ্রুত পড়ে, তবে দলটি মাত্র ২১ বলে ১৪ রান যোগায় এবং পরে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ১৪৬ রানের লক্ষ্য স্থাপন করে।
বোলিংয়ে উইল জ্যাকসের পারফরম্যান্স ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তিনি প্রথম তিন বলের মধ্যে দুটি চার মারলেও তৎক্ষণাৎ ফুট টস ডেলিভারিতে ক্যাচে আউট হন, যা তাকে নিজের ওপর ক্রোধের অনুভূতি দেয় এবং পরবর্তী বোলিংয়ে মনোযোগ বাড়ায়।
অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক জ্যাকসকে এই অভিজ্ঞতা শেয়ার করে দলের মনোবল বাড়াতে সাহায্য করেন। ব্রুকের কথায় জ্যাকসের মনোভাব পরিবর্তন হয়ে বোলিংয়ে আরও দৃঢ়তা আসে।
ব্রুক নতুন বল জ্যাকসের হাতে তুলে দেন, এবং দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই কামিল মিশারা চার রান করেন। পরের পাঁচ বলেই জ্যাকস কোনো রান দিতে পারেননি, যা শ্রীলঙ্কার স্কোরকে ধীর করে।
মোট চার ওভার জ্যাকস ২২ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন এবং ম্যান অব দা ম্যাচের পুরস্কার পান। তার বোলিং দক্ষতা এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে নেওয়া উইকেটগুলো ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
জ্যাকস বললেন, “বলে হাতে এই দায়িত্ব পেয়ে আমি গর্বিত। এটি আমাকে খেলায় প্রভাব রাখতে এবং নিজের পারফরম্যান্স উন্নত করতে উৎসাহিত করে। পাওয়ার প্লে-এ বোলিং করা আমার জন্য নতুন নয়, বরং স্বাভাবিক।” তার এই মন্তব্য দলীয় আত্মবিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করে।
ইংল্যান্ডের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে জ্যাকসের এই পারফরম্যান্স দ্বিতীয়বারের মতো শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩ উইকেট নিয়ে আসে। একই মাঠে চলতি মাসের শুরুতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজের শেষ ম্যাচে তিনি চার ওভারে ১৪ রানে ৩ উইকেট নেন, যা ইংল্যান্ডকে ১২৮ রানের পুঁজি নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে ১১৬ রানে গুটিয়ে দিতে সাহায্য করে।
ইংল্যান্ডের পরবর্তী ম্যাচে দলটি একই টুর্নামেন্টের পরবর্তী রাউন্ডে মুখোমুখি হবে, যেখানে জ্যাকসের বোলিং ক্ষমতা আবারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।



