গতকাল সন্ধ্যা ১০:৪৫ টার পরে পর্যন্ত, নতুন সরকারের অধীনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ স্তরে এক বিশাল পুনর্গঠন সম্পন্ন হয়েছে; মোট তেরজন সেক্রেটারিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সেক্রেটারিও অন্তর্ভুক্ত। এই পদত্যাগের পেছনে নতুন সরকারের মানবসম্পদ নীতি পুনর্গঠন ও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের ইচ্ছা কাজ করেছে। ভবিষ্যতে নিয়মিত সেক্রেটারিদের পুনর্বিন্যাসের সম্ভাবনা উল্লেখ করা হয়েছে।
পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে কোনো নতুন নিয়োগের সরকারি নোটিশ প্রকাশিত হয়নি, ফলে শূন্যপদগুলো এখনও খালি রয়ে গেছে এবং মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে অস্থায়ী ফাঁক দেখা দিচ্ছে। এই অনিশ্চয়তা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের প্রবাহে প্রভাব ফেলতে পারে। শূন্যপদ পূরণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপের প্রত্যাশা বাড়ছে।
অধিকাংশ চুক্তিভিত্তিক সেক্রেটারির মেয়াদ বাতিল করা হয়েছে; অস্থায়ী সরকারের সময়ে আটজনকে চুক্তি ভিত্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল, এবং তাদের চুক্তি এখন শেষ করা হয়েছে। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বৈধতা ও সময়সীমা নতুন সরকারের নীতি অনুযায়ী পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে। এই পদক্ষেপকে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বাড়ানোর একটি ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাতিল হওয়া চুক্তিভিত্তিক পদগুলোর মধ্যে পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করা এসএম অকমল হোসেন, মোখলেস-উর-রহমান এবং কাইয়ুম আরা বেগম অন্তর্ভ



