লিলি কলিন্স অড্রি হেপবার্নের চরিত্রে অভিনয় করবেন এমন একটি নতুন চলচ্চিত্রের ঘোষণা সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। ছবিটি ‘ব্রেকফাস্ট এট টিফানি’ শিরোনামের ক্লাসিক রোমান্টিক কমেডির নির্মাণ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে তৈরি হবে। এই প্রকল্পের স্ক্রিনপ্লে লিখছেন আলেনা স্মিথ, যিনি অ্যাপল সিরিজ ডিকিনসনের স্রষ্টা হিসেবে পরিচিত।
চিত্রনাট্যটি স্যাম ওয়াসনের ‘ফিফথ অ্যাভিনিউ, 5 এ.এম.: অড্রি হেপবার্ন, ব্রেকফাস্ট এট টিফানি এবং দ্য ডন অফ দ্য মডার্ন ওম্যান’ শীর্ষক বইয়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি। ওয়াসনের বইটি নিউ ইয়র্ক টাইমসের বেস্টসেলার এবং এতে ট্রুম্যান ক্যাপোট, এডিথ হেড, ব্লেক এডওয়ার্ডসসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের ভূমিকা বিশদভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রকল্পের উৎপাদন দায়িত্বে রয়েছে ইম্যাজিন এন্টারটেইনমেন্ট এবং কলিন্সের নিজস্ব প্রোডাকশন হাউস কেস স্টাডি ফিল্মস। উভয় সংস্থা স্কট লাস্টাইটি, ব্রায়ান গ্রেজার, জেব ব্রোডি, জাস্টিন উইল্কসসহ অভিজ্ঞ প্রযোজকদের সঙ্গে কাজ করছে। কেস স্টাডি ফিল্মসের দায়িত্বে রয়েছেন চার্লি ম্যাকডোয়েল, অ্যালেক্স অরলভস্কি এবং লাস্টাইটি, আর ইম্যাজিনের পক্ষে মার্ক গিলবার এক্সিকিউটিভ প্রোডিউসার হিসেবে যুক্ত।
ফেলিক্স ফার্মার প্রোডাকশনসের স্যাম ওয়াসন ও ব্র্যান্ডন মিল্লান, পাশাপাশি মাইকেল শ্যামবার্গও এই প্রকল্পে প্রোডিউসার হিসেবে অংশ নেবেন। ইম্যাজিনের ডেভেলপমেন্ট তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে জয়েস চোই কাজ করবেন, যা ছবির সৃজনশীল দিককে সমর্থন করবে।
লিলি কলিন্সের এজেন্সি হিসেবে সিএএ, এলবিআই এন্টারটেইনমেন্ট এবং স্লোয়ান অফার যুক্ত রয়েছে। তিনি নেটফ্লিক্স সিরিজ ‘এমিলি ইন প্যারিস’ এ তার ভূমিকার জন্য ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন, যা তাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করেছে। এই নতুন প্রকল্পে তার অংশগ্রহণ চলচ্চিত্রপ্রেমী ও ফ্যাশন উত্সাহীদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ জাগিয়ে তুলেছে।
‘ব্রেকফাস্ট এট টিফানি’ ছবিটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হইয়েছিল এবং তার পর থেকে ফ্যাশন, সংস্কৃতি ও সিনেমার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত। এই মেকিং-অফ চলচ্চিত্রটি সেই যুগের পেছনের গল্প, প্রি-প্রোডাকশন থেকে শুরু করে শুটিংয়ের সময়ের চ্যালেঞ্জ এবং মুক্তির পরের প্রভাব পর্যন্ত সব দিককে আলোকিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রকল্পের আর্থিক ও সৃজনশীল দিক থেকে ইম্যাজিন এন্টারটেইনমেন্টের অভিজ্ঞতা এবং কেস স্টাডি ফিল্মসের উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গি মিলিয়ে একটি উচ্চমানের বায়ো-ড্রামা তৈরি হবে। উভয় সংস্থার সহযোগিতা চলচ্চিত্রের গুণগত মান ও বাজারে সাফল্য নিশ্চিত করবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে লিলি কলিন্সের ক্যারিয়ারে নতুন একটি মাইলফলক যোগ হবে, পাশাপাশি অড্রি হেপবার্নের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হবে। চলচ্চিত্রের শুটিং সময়সূচি ও মুক্তির তারিখ এখনও প্রকাশিত হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট সংস্থা দ্রুতই আরও তথ্য জানাবে।



