22.7 C
Dhaka
Tuesday, February 24, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশ্রম মন্ত্রণালয় ২২‑ধাপের কর্মপরিকল্পনা গৃহীত, ১৮০ দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে

শ্রম মন্ত্রণালয় ২২‑ধাপের কর্মপরিকল্পনা গৃহীত, ১৮০ দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ২২টি ধাপের একটি কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন করেছে, যা ১৮০ দিনের মধ্যে কার্যকর করা হবে এবং বিএনপি সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। পরিকল্পনা আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় চূড়ান্ত করা হয়; সেক্রেটারি মোঃ সানোয়ার জাহান ভূইয়া সভার প্রধান ছিলেন, আর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রীর নির্দেশে প্রতিটি সপ্তাহে ম্যানিফেস্টো বাস্তবায়নের অগ্রগতি রিপোর্ট জমা দিতে হবে এবং তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। পরিকল্পনার মূল লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ শ্রম আদেশ, ২০২৫-কে আইনগত রূপ দেওয়া এবং ফ্যাক্টরি ও প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন বিভাগের (ডিআইএফই) জন্য সুপারিশকৃত ১২২ জন পরিদর্শক নিয়োগ সম্পন্ন করা।

অবশিষ্ট শ্রম বিধি, শিশুশ্রম ও জবরদস্তি শ্রম নিষেধের আইন, এবং জাতীয় সামাজিক সংলাপ ফোরামের গঠন ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। এছাড়াও ডিজিটাল ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন ব্যবস্থা ১৫ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত চালু করা, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মসংস্থান এক্সচেঞ্জ স্থাপন, জাতীয় কর্মসংস্থান সমীক্ষা ৩০ জুলাই পর্যন্ত হালনাগাদ করা এবং হোটেল ও রেস্টুরেন্টে ন্যূনতম মজুরি প্রয়োগ নিশ্চিত করা ৩০ জুনের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।

পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রেডি-গার্মেন্টস (আরএমজি) কারখানায় সকল স্তরে বিরূপ আচরণ বিরোধী কমিটি গঠন, ট্যানারী, হোটেল ও লোহার গলায় ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, এবং কর্মীদের কল্যাণ তহবিলের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা প্রদান অন্তর্ভুক্ত। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ উন্নত করা এবং সামাজিক নিরাপত্তা বাড়ানো লক্ষ্য করা হয়েছে।

কর্মশালায় রাষ্ট্রমন্ত্রী নুরুল হক নূরও অংশগ্রহণ করেন; তিনি মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধিদের সামনে পরিকল্পনার গুরুত্ব ও বাস্তবায়নের সময়সূচি তুলে ধরেন। মন্ত্রীর উপস্থিতি এবং নির্দেশনা কর্মপরিকল্পনার দ্রুত বাস্তবায়নে প্রেরণা যোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিপরিষদে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, যাতে প্রতিশ্রুত সময়সীমা মেনে কাজ সম্পন্ন হয়। পরিকল্পনার সফলতা শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা, শ্রম বাজারের স্বচ্ছতা এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments