বসন্তের প্রথম সোমবার বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের উদ্বোধনী দিনটি শ্রীহৃদয় শাহীদ চাঁদু স্টেডিয়ামে বগুড়িতে শুরু হয়। উত্তরের জোন ও পূর্বের জোনের মুখোমুখি ম্যাচে দু’টি শতক এবং উজ্জ্বল দর্শকগণ স্টেডিয়ামের তিনটি গ্যালারিকে পূর্ণ করে তুলেছিল।
উত্তর জোনের উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান আকবর আলি প্রথম লিস্ট এ শতক অর্জন করে ৮৭ ball-এ ১১১ রান তৈরি করেন। দলটি ট্যানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তোর সঙ্গে ৮২ রানের তৃতীয় উইকেট পার্টনার গড়ে তোলার পর ২০তম ওভারে ১১৮/৪ স্কোরে আটকে যায়।
এরপর আকবর শান্তোর সঙ্গে ১২০ রান, ১১৪ ballের পার্টনার গড়ে তোলেন, যার মধ্যে শান্তো ৮৭ ball-এ ৬৮ রান করেন। ৩৯তম ওভারে হাসান মাহমুদ শান্তোকে আউট করেন, তবে আকবর একা থেকেই ইনিংস চালিয়ে যান এবং শেষ পর্যন্ত ৩৩৫ রান তৈরি করে দলকে ৩৩৫ সব আউটে শেষ করেন। শেষের দিকে আবদুল গাফফার সাকলাইনের ১০ ball-এ ১৭ রান ও শোরিফুল ইসলামের ১২ ball-এ ২০ রান দ্রুতগতিতে যোগ করে স্কোর বাড়ায়।
উত্তর জোনের বলিং দলে খালেদ আহমেদ ৪ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ ৫২ রান দেন, আর অন্য একজন বলার হসেন ২ উইকেটের সঙ্গে ৫৫ রান ছাড়িয়ে যান।
পূর্ব জোনের জবাবের গতি ধীর ছিল। মোমিনুল হক ৮৩ ball-এ ৮৩ রান করে শীর্ষ স্কোরার হন, তবে ধারাবাহিক উইকেটের কারণে ৩৩৬ রান লক্ষ্য অর্জনে বাধা পেল। ইয়াসির আলি ৪২ রান যোগ করেন, আর নায়েম হসেন অর্ধেক অউট ৫০ রান নিয়ে শেষ করেন। রিশাদ হোসেনের চারটি উইকেটের সাহায্যে পূর্ব জোন ২৮১ সব আউটে শেষ করে।
একই দিনে রাজশাহীর রায়শাহী ডিভিশনাল স্টেডিয়ামে দক্ষিণ জোন ও কেন্দ্রীয় জোনের মধ্যে আরেকটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। দক্ষিণ জোনের আফিফ হোসেন অউট না হয়ে শতক তৈরি করে দলের জয় নিশ্চিত করেন, ফলে দলটি সাত উইকেটের পার্থক্যে জয়লাভ করে।
কেন্দ্রীয় জোন ২৬৪ রান তৈরি করে, যার মধ্যে মোহাম্মদ নায়েম, মাহফিজুল ইসলাম ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন প্রত্যেকে অর্ধ শতক করে। তবে মস্তাফিজুর রহমান ও সায়্যিবা মেহজাবিন (মেহিদি হাসান মিরাজ) উভয়ই উইকেট নিতে পারেননি, ফলে দলটি রক্ষণে পিছিয়ে থাকে।
উদ্বোধনী ম্যাচগুলোতে উভয় জোনের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স দর্শকদের উচ্ছ্বাসে ভরিয়ে তুলেছে এবং পরবর্তী রাউন্ডের সূচি ইতিমধ্যে নির্ধারিত হয়েছে। উত্তর জোনের পরবর্তী ম্যাচে পূর্ব জোনের সঙ্গে পুনরায় মুখোমুখি হওয়ার কথা, আর দক্ষিণ জোনের পরের প্রতিপক্ষ হবে পূর্ব জোন, যা লিগের শীর্ষে পৌঁছানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।



