20.8 C
Dhaka
Tuesday, February 24, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিসড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নতুন কর্মকর্তাদের কাছে অবকাঠামো অপচয় রোধের...

সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নতুন কর্মকর্তাদের কাছে অবকাঠামো অপচয় রোধের আহ্বান

সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলনকক্ষে ৪৪তম বিসিএস (সড়ক ও জনপথ) ক্যাডারের নতুন যোগদানকারী ৩২ জন কর্মকর্তার জন্য সাত দিনব্যাপী ইনডাকশন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম উপস্থিত থেকে সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও নির্মাণকাজে অপচয় রোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

মন্ত্রীর বক্তব্যে তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাষ্ট্রের অর্থ জনগণের অর্থ, তাই তা ন্যায্যভাবে ব্যয় করা উচিত। অনৈতিক চর্চা বাদ দিয়ে সামগ্রিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং প্রতিটি প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখতে হবে।

শেখ রবিউল আলম উল্লেখ করেন, বর্তমান বাংলাদেশ সরকার অবকাঠামো উন্নয়ন ও সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্য অর্জনে নবীন কর্মকর্তাদের সততা ও আন্তরিকতা অপরিহার্য, কারণ তারা ভবিষ্যৎ প্রকল্পের বাস্তবায়নের মূল চালিকাশক্তি।

প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে সড়ক ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদও উপস্থিত থেকে নবীন কর্মকর্তাদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা সফল করতে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। তিনি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের গঠনকে সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলাফল হিসেবে উল্লেখ করেন।

মন্ত্রীর মতে, নতুন উদ্যোগ গ্রহণ এবং উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশই আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণের মূল চাবিকাঠি। তিনি নতুন কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান, নীতি মেনে চলা, নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখা এবং কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা।

ইনডাকশন প্রশিক্ষণটি সাত দিনব্যাপী পরিচালিত হয়, যেখানে সড়ক নকশা, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্নীতি বিরোধী ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তৃত শিক্ষা প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা সরকারি সম্পদের অপচয় রোধে বাস্তবিক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নেয়।

শেখ রবিউল আলমের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, অবকাঠামো প্রকল্পে বাজেটের অতি ব্যবহার ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় রোধে কঠোর তদারকি প্রয়োজন। তিনি বলেন, প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং অপ্রয়োজনীয় খরচের উৎস চিহ্নিত করা উচিত।

প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদও একই দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করে বলেন, দেশের সড়ক, সেতু, রেল ও নৌপরিবহন নেটওয়ার্কের উন্নয়ন কেবল অর্থনৈতিক বৃদ্ধি নয়, সামাজিক সমন্বয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি নতুন কর্মকর্তাদেরকে দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্বে উৎসাহিত করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর কাছ থেকে নতুন কর্মকর্তাদের জন্য একটি নৈতিক কোডের প্রস্তাবনা জানানো হয়, যা কাজের সময় নৈতিকতা, দায়িত্বশীলতা এবং জনসেবা মানদণ্ডকে অন্তর্ভুক্ত করবে। এই কোডের লক্ষ্য হল সরকারি সম্পদের অপচয় কমিয়ে প্রকল্পের গুণগত মান বৃদ্ধি করা।

অনুষ্ঠানের শেষে, মন্ত্রীর নির্দেশে সকল নবীনকে তাদের দায়িত্বের প্রতি সচেতন থাকতে এবং সরকারী নীতি মেনে চলতে আহ্বান জানানো হয়। তিনি ভবিষ্যতে তাদেরকে দেশের অবকাঠামো উন্নয়নের মূল স্তম্ভ হিসেবে দেখতে চান।

এই প্রশিক্ষণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানকে বাংলাদেশ সরকারের অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। নতুন কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও নৈতিকতা বৃদ্ধি পেলে ভবিষ্যৎ প্রকল্পে সময়মতো সম্পন্ন হওয়া এবং বাজেটের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে।

অবশেষে, মন্ত্রীর শেষ মন্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রেখে দেশের সড়ক ও সেতু নেটওয়ার্ককে আধুনিকায়ন করা সম্ভব হবে, যা শেষ পর্যন্ত জনগণের কল্যাণে অবদান রাখবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments