31.6 C
Dhaka
Monday, February 23, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার বাস্তবায়নের আহ্বান জানালেন

ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার বাস্তবায়নের আহ্বান জানালেন

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, ২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার, ঢাকা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য জোরালো আহ্বান জানান এবং নতুন সরকারের উদ্যোগের প্রত্যাশা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে মাইকেল মিলার, ড. খলিলুর রহমান ও শামা ওবায়েদ ইসলামি, ইইউ‑বাংলাদেশ সহযোগিতার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। দু’পক্ষই উল্লেখ করেন যে, সংস্কার কর্মসূচি না হলে ইইউ‑বাংলাদেশের উন্নয়ন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা সীমাবদ্ধ থাকবে।

মিলার উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ইইউ‑এর কৌশলগত অংশীদার এবং উভয় পক্ষের স্বার্থে উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অভিবাসন, মানবিক সহায়তা এবং নিরাপত্তা সহ বহু ক্ষেত্রের সমন্বয় প্রয়োজন। তিনি বলেন, নতুন সরকারের সঙ্গে এই বিষয়গুলোতে যৌথভাবে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছে।

মিলার আরও জানান, ইইউ বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়াকে সমর্থন করতে প্রস্তুত এবং প্রয়োজনীয় তহবিল ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবে। তিনি জোর দেন, সংস্কার না হলে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের গতি ধীর হবে, তাই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে মিলার বলেন, ইইউ‑এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে বাংলাদেশকে স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা এবং আইনি কাঠামোর শক্তিশালীকরণে মনোযোগ দিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এই দিকগুলোই বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বাড়ানোর মূল চাবিকাঠি।

ইইউ রাষ্ট্রদূত মিলার, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশের প্রতি সংবেদনশীলতা প্রকাশ করে, তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, সংস্কার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি দেশের আন্তর্জাতিক সুনাম ও আর্থিক সহায়তার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।

একই দিনে, ঢাকা ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসনের সঙ্গে বৈঠক করেন। ক্রিস্টেনসনও ড. খলিলুর রহমান ও শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে আলোচনা করে, দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্ব ও সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো তুলে ধরেন।

ইইউ‑বাংলাদেশের সহযোগিতা, বিশেষ করে উন্নয়ন প্রকল্প, মানবিক সহায়তা এবং বাণিজ্যিক চুক্তি, দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মিলার উল্লেখ করেন, এই সহযোগিতা ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া এবং সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়া উভয় পক্ষের স্বার্থে।

বৈঠকের পর প্রকাশিত বিবৃতিতে, বাংলাদেশ সরকার (বাংলাদেশ সরকার) ইইউ‑এর সমর্থনকে স্বাগত জানিয়ে, সংস্কার পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। সরকার জোর দিয়ে বলেছে, সংস্কার না হলে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা হারিয়ে যাবে।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, ইইউ‑এর এই স্পষ্ট আহ্বান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন, নতুন সরকারের জন্য সংস্কারকে অগ্রাধিকার তালিকায় রাখার প্রেরণা বাড়াবে। ভবিষ্যতে, ইইউ‑বাংলাদেশের বাণিজ্যিক চুক্তি, বিনিয়োগ প্রকল্প এবং মানবিক সহায়তার পরিধি বাড়তে পারে, যদি সংস্কার প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে অগ্রসর হয়।

সারসংক্ষেপে, মাইকেল মিলার এবং ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠক, আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কাছ থেকে বাংলাদেশের সংস্কার কর্মসূচির প্রতি প্রত্যাশা ও সমর্থন স্পষ্ট করেছে। এখন বাংলাদেশ সরকার (বাংলাদেশ সরকার) কীভাবে দ্রুত ও কার্যকরভাবে এই আহ্বানকে বাস্তবে রূপান্তর করবে, তা দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের মূল চাবিকাঠি হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments