32.7 C
Dhaka
Monday, February 23, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনতুন চিফ প্রসিকিউটর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অসমাপ্ত মামলায় অগ্রগতি আশা

নতুন চিফ প্রসিকিউটর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অসমাপ্ত মামলায় অগ্রগতি আশা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নতুন চিফ প্রসিকিউটরকে আজ (সোমবার) ট্রাইব্যুনাল কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত প্রেসব্রিফিং‑এ শুভেচ্ছা জানানো হয়। বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম উপস্থিত থেকে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তের প্রতি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রের পক্ষে মামলাগুলি পরিচালনা করা একটি জটিল কাজ এবং নতুন নেতৃত্বের অধীনে প্রসিকিউশন টিমকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করা হবে। তিনি বলেন, চলমান তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার বেশ কয়েকটি ধাপ এখনও অগ্রসর হচ্ছে।

বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর জোর দিয়ে বলেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা ট্রাইব্যুনালের মূল লক্ষ্য এবং নতুন চিফ প্রসিকিউটরকে এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বাকি থাকা কাজগুলো সম্পন্ন করতে হবে। তিনি এ বিষয়ে আশাবাদী যে নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি দ্রুততর হবে।

প্রেসব্রিফিং‑এ তাজুল ইসলাম আরও উল্লেখ করেন, বিচারপ্রক্রিয়া কোনো একক ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়; এটি প্রতিষ্ঠানের সমষ্টিগত দায়িত্ব। প্রসিকিউশন টিমের সদস্যরা পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারাকে বজায় রাখবে।

একই সময়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আমিনুল ইসলামকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এই নিয়োগের আনুষ্ঠানিকতা গেজেটের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

অধিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অ্যাটর্নি জেনারেলের পদমর্যাদায় চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয়। সেই সময় থেকে তিনি ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

নতুন চিফ প্রসিকিউটরের দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে বাড়বে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। তারা উল্লেখ করেন, নতুন নেতৃত্বের অধীনে মামলাগুলোর দ্রুত সমাধান আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের স্বচ্ছতা বাড়াবে।

বিপক্ষের কিছু বিশ্লেষকও নতুন চিফ প্রসিকিউটরের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তের পেশাগত পটভূমি এবং পূর্বের অভিজ্ঞতা ট্রাইব্যুনালের কাজকে ত্বরান্বিত করতে সহায়ক হবে।

প্রতিপক্ষের রাজনৈতিক দলগুলোও নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তের প্রতি নজর রাখবে এবং ন্যায়বিচারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে। তারা জোর দিয়ে বলেছেন, ট্রাইব্যুনালের কাজের গতি ও ফলাফল দেশের আন্তর্জাতিক সুনামকে প্রভাবিত করবে।

প্রেসব্রিফিং‑এর শেষে নতুন চিফ প্রসিকিউটরকে শুভকামনা জানিয়ে উপস্থিত সবাই একমত হন যে, চলমান মামলাগুলোর দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত সমাধান দেশের আইনি কাঠামোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এই নিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে চায় এবং দেশের আইনি প্রতিনিধিত্বকে শক্তিশালী করতে চায়। সরকার গেজেটের মাধ্যমে এই পদক্ষেপের আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত করেছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা এখন নতুন চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে নির্ধারিত হবে। চলমান মামলাগুলোর সমাধান, নতুন তদন্তের সূচনা এবং ন্যায়বিচারের স্বচ্ছতা এই দায়িত্বের মূল দিক হিসেবে বিবেচিত হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments