31.6 C
Dhaka
Monday, February 23, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাবিসিবি লিপুকে মার্চ পর্যন্ত প্রধান নির্বাচক হিসেবে রাখবে, নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান

বিসিবি লিপুকে মার্চ পর্যন্ত প্রধান নির্বাচক হিসেবে রাখবে, নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান

বিসিবি আজকের পরিচালনা পরিষদের বৈঠকে গাজী আশরাফ হোসেন লিপুকে মার্চ পর্যন্ত প্রধান নির্বাচকের দায়িত্বে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। নতুন প্রধান নির্বাচক পদে প্রার্থীর সন্ধান এখনও চলমান। এই সিদ্ধান্তের পেছনে লিপুর চুক্তি নবায়নের অনিচ্ছা রয়েছে।

লিপু ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ দুই বছরের চুক্তিতে প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার মেয়াদ এই মাসে শেষ হতে চলেছে। তবে তিনি পুনর্নবীকরণে আগ্রহ প্রকাশ করেননি।

চুক্তি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিসিবি নতুন মুখের সন্ধানে এগিয়ে গেছে। বর্তমান প্রধান নির্বাচক ও সহকারী নির্বাচকের পদ পূরণে চার পরিচালকের ওপর দায়িত্ব আরোপিত হয়েছে। প্রয়োজনে বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রার্থীদের আহ্বান করা সম্ভব।

বিসিবি কয়েক দিন আগে হাবিবুল বাশার সুমনকে প্রধান নির্বাচকের প্রস্তাব জানায়। বাশার সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কিছু সময় চেয়েছিলেন। তাই তিনি এখনো চূড়ান্ত উত্তর দেননি।

বিবেচনা শেষে, বিসিবি লিপুকে মার্চ পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে দায়িত্বে রাখতে সম্মত হয়েছে। এই ব্যবস্থা বাশারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করার পাশাপাশি লিপুর অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবে। মিটিংয়ে এই পরিকল্পনা আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়।

লিপু পূর্বেই জানিয়েছিলেন, নতুন নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন। তিনি এই অস্থায়ী সময়ে নির্বাচক প্যানেলের কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন। তার উপস্থিতি দলকে স্থিতিশীলতা প্রদান করবে।

নতুন সদস্যের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সাজ্জাদ আহমেদ শিপনের নাম উল্লিখিত হয়েছে। শিপন পূর্বে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার এবং বর্তমানে বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান। তিনি যদি নির্বাচক প্যানেলে যোগ দেন, তবে তার মাঠের অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে।

হাবিবুল বাশার সুমন বর্তমানে গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের দায়িত্বে আছেন। তার পূর্বের পদ ছিল নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান। যদিও তিনি প্রথমবার প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না, তবু ভবিষ্যতে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

বাশার ২০১৬ সালে প্রথমবার নির্বাচক প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত হন। এরপর তিনি আট বছর ধারাবাহিকভাবে প্যানেলের সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। তার সময়ে প্রধান নির্বাচক ছিলেন ফারুক আহমেদ ও মিনহাজুল আবেদীন নান্নু।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে বাশার ৫০টি টেস্ট এবং ১১১টি ওয়ানডে ম্যাচের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। এই পরিসংখ্যান তাকে প্যানেলের মূল্যবান সদস্য করে তুলেছে। তার খেলোয়াড়ি পটভূমি নির্বাচক কাজের বিশ্লেষণে সহায়তা করে।

বিসিবি এখন নতুন চুক্তি ও প্যানেল গঠন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনা করেছে। মার্চের পরে লিপুর অবস্থান পুনর্বিবেচনা করা হবে। নতুন প্রধান নির্বাচকের নির্বাচন শেষ হলে পুরো প্যানেল পুনর্গঠন হবে।

নির্বাচক প্যানেলের গঠন দেশের ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক নির্বাচন প্রক্রিয়া ভবিষ্যৎ প্রতিভা চিহ্নিত করতে সহায়তা করবে। বিসিবি এই দিক থেকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিসিবি পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, লিপু মার্চ পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন এবং নতুন প্রার্থীর মূল্যায়ন চলবে। এই সময়ে নির্বাচক প্যানেলের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলবে। ক্রিকেটের মৌসুমের প্রস্তুতি কোনো ধাপেই বাধাগ্রস্ত হবে না।

বিসিবি কর্তৃক নেওয়া এই পদক্ষেপগুলো দেশের ক্রিকেটের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। নির্বাচক প্যানেলের সুষ্ঠু কাজ ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে শক্তিশালী করবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments