23.8 C
Dhaka
Monday, February 23, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধজামায়াত-এ-ইসলামি আমির শফিকুর রহমান লেগুনা চালকের হত্যার প্রতিবাদে চাঁদাবাজি বিরোধী আন্দোলনের আহ্বান...

জামায়াত-এ-ইসলামি আমির শফিকুর রহমান লেগুনা চালকের হত্যার প্রতিবাদে চাঁদাবাজি বিরোধী আন্দোলনের আহ্বান জানালেন

ঢাকা শহরের জাত্রাবাড়ি এলাকায় শুক্রবার বিকেল প্রায় তিনটায় একটি লেগুনা চালককে হিংসাত্মকভাবে পিটিয়ে মারধর করা হয়। ৩৫ বছর বয়সী নূরে আলম, যিনি খায়রুল নামেও পরিচিত, মাছের আড়ত সংলগ্ন সুফিয়া গার্মেন্টসের পাশে আঘাতপ্রাপ্ত হন। আহত অবস্থায় তাকে নিকটস্থ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া অবস্থায় নূরে আলমের শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং রাতের মধ্যভাগে তার মৃত্যু হয়। মৃতদেহের প্রমাণ এবং আহতের শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্তে দেখা যায় যে তাকে একাধিকবার মারধর করা হয়েছে।

মৃতকের আত্মীয়স্বজন দাবি করেন যে খায়রুলকে চাঁদা (একধরনের গৃহহীনতা) আদায়ের জন্য পিটিয়ে শেষ পর্যন্ত হত্যা করা হয়েছে। তারা জানান, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কিছু ব্যক্তি চাঁদা না দেওয়ার জন্য তাকে হুমকি দিয়েছিল এবং তা শেষ পর্যন্ত হিংসায় রূপ নেয়।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা এবং জামায়াত-এ-ইসলামি আমির শফিকুর রহমান এই হত্যাকাণ্ডকে নিন্দা করে এবং চাঁদাবাজি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে তৎক্ষণাৎ প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি রোববার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পৃষ্ঠায় লিখে প্রকাশ করেন যে, চাঁদা না দেওয়াকে অপরাধের সমতুল্য করে তুলতে সমাজকে গড়ে তোলা হচ্ছে।

শফিকুর রহমানের পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, নেতৃত্বের দায়িত্বের ক্ষেত্র থেকে চাঁদাবাজির বৈধতা দেওয়া হলে তা পুরো সমাজের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে এবং নিরীহ মানুষের জীবন এভাবে ঝরে পড়া স্বীকারযোগ্য নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের ন্যায়বিচারহীনতা মেনে নেওয়া যাবে না এবং তা প্রত্যাখ্যান করা হবে।

এরপর তিনি জনগণকে আহ্বান জানান যে, চাঁদাবাজির বিরোধে একটি নতুন আন্দোলন গড়ে তোলা এখনই প্রয়োজন, যাতে সমাজের ন্যায়বিচার রক্ষার জন্য সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়া যায়। তিনি বলেন, এই আন্দোলনকে সমর্থন করে চাঁদাবাজি নেটওয়ার্ককে ভেঙে ফেলা সম্ভব হবে।

স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্ত চালু করে এবং অপরাধীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে বলে জানানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গয়না এবং শারীরিক প্রমাণের ভিত্তিতে সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং মামলাটি আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

চাঁদাবাজি সমস্যাটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘদিনের সামাজিক অবসাদ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, এবং এই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা সম্প্রতি বাড়ছে বলে বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য রয়েছে। সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে এবং চাঁদাবাজি বন্ধ করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

শফিকুর রহমানের প্রতিবাদ এবং আন্দোলনের আহ্বানকে স্থানীয় জনগণ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। তারা দাবি করে যে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে দ্রুত তদন্ত, অপরাধীদের শাস্তি এবং চাঁদাবাজি বন্ধের জন্য কার্যকর নীতি প্রণয়ন করা দরকার। ভবিষ্যতে এ ধরনের হিংসা রোধে সমাজের সকল স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনগত কাঠামো শক্তিশালী করা অপরিহার্য।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments