23.8 C
Dhaka
Sunday, February 22, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাভারত এ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক আলোচনার সফর পেছানো হয়েছে

ভারত এ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক আলোচনার সফর পেছানো হয়েছে

ভারত এ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক আলোচনার জন্য নির্ধারিত প্রতিনিধিদল রোববার সফর পেছানো হয়েছে। সিদ্ধান্তটি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের শুল্ক সংক্রান্ত রায়ের পর উদ্ভূত অনিশ্চয়তার কারণে নেওয়া হয়েছে। উভয় দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে শেষ মুহূর্তে আলোচনা করে সফরের নতুন তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

প্রতিনিধিদলটি পূর্বে রোববারই ওয়াশিংটনে পৌঁছানোর কথা ছিল, যেখানে দুই দেশ একটি অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা করেছিল। চুক্তির মূল শর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক ১৮ শতাংশে কমানো এবং বদলে ভারত এ পাঁচ বছরের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি, উড়োজাহাজ, যন্ত্রাংশ, মূল্যবান ধাতু ও প্রযুক্তি পণ্যসহ মোট ৫০ হাজার কোটি ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি করবে।

ভারত এ-র প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস এই চুক্তির স্থগিতের দাবি জানিয়ে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রায়কে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। দলটি রায়ের আগে যৌথ বিবৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে পুনর্মূল্যায়নের আহ্বান জানায় এবং চুক্তির পুনঃপর্যালোচনা চায়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় শনিবার জানিয়েছিল, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের রায় এবং ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী ঘোষণার প্রভাব বিশ্লেষণ করছে। একই সময়ে বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গয়াল উল্লেখ করছিলেন, যদি ওয়াশিংটনে অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধান হয়, তবে চুক্তি এপ্রিল মাস থেকে কার্যকর হতে পারে।

শুল্ক হ্রাসের প্রত্যাশা ছিল ভারতীয় রপ্তানির জন্য মার্কিন বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা এনে দেবে, আর আমদানি দিক থেকে উচ্চ মূল্যের প্রযুক্তি পণ্য ও জ্বালানির প্রবাহ বাড়াবে। সফর পেছানো হলে এই সুবিধাগুলো বাস্তবায়নে বিলম্ব হতে পারে, যা স্বল্পমেয়াদে বাণিজ্য প্রবাহে অস্থিরতা সৃষ্টি করবে।

সুপ্রিম কোর্টের রায় শুক্রবার শেয়ার করা হয়, যা ট্রাম্পের শুল্ক নীতি বাতিলের সূচক ছিল। রায়ের পরপরই ভারত এ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সফর সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করা হয় এবং সফর পেছানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দুই দেশের কূটনৈতিক দল এখন নতুন সফর তারিখ নির্ধারণের জন্য সমন্বয় করছে। উভয় পক্ষের আইনগত ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা চুক্তির শর্তাবলীর পুনর্মূল্যায়ন প্রস্তাব করছেন, যাতে রায়ের প্রভাবকে বিবেচনা করে চূড়ান্ত চুক্তি তৈরি করা যায়।

চুক্তি সম্পন্ন হলে পাঁচ বছরের মধ্যে ৫০ হাজার কোটি ডলার মূল্যের পণ্য প্রবাহের মাধ্যমে ভারত এ-র বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পেতে পারে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। এই পরিমাণের বাণিজ্যিক লেনদেন উভয় দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।

সফর পেছানোর সিদ্ধান্ত উভয় দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের পরবর্তী দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, এবং চুক্তির চূড়ান্ত রূপ নির্ধারণে সময়সীমা বাড়বে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments