যশের মুখে ‘Toxic: A Fairy Tale for Grown-Ups’ শিরোনামের নতুন চলচ্চিত্রের সঙ্গীত অধিকার নিয়ে জি মিউজিক কোম্পানি এবং KVN প্রোডাকশনসের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তি ছবির ২০২৬ সালের থিয়েটার মুক্তির পূর্বে সম্পন্ন হয়েছে এবং দেশের বিভিন্ন ভাষাভাষী দর্শকের জন্য সঙ্গীতের বিস্তৃত পরিকল্পনা নির্দেশ করে।
‘Toxic’ ছবিটি KVN প্রোডাকশনস এবং মনস্টার মাইন্ড ক্রিয়েশনসের যৌথ উদ্যোগে তৈরি, যেখানে যশ প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন। ছবির কাহিনীকে ‘বয়স্কদের জন্য এক রূপকথা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং এটি একাধিক ভাষায় একসাথে মুক্তি পাওয়ার লক্ষ্য রাখে।
সঙ্গীত অধিকার চুক্তির আওতায় জি মিউজিক কোম্পানি ছবির গান ও ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরকে হিন্দি, কান্নড়া, তেলেগু, তামিল এবং মালয়ালাম ভাষায় রিলিজ করার দায়িত্ব নেবে। এই বহুভাষিক কৌশলটি ছবির প্যান-ইন্ডিয়া রিলিজ পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং বিভিন্ন অঞ্চলের দর্শকের সঙ্গে সঙ্গীতের সরাসরি সংযোগ স্থাপন করবে।
সাউন্ডট্র্যাকের সৃষ্টিতে বেশ কয়েকজন সঙ্গীতশিল্পী যুক্ত হচ্ছেন। রবি বসরুর একটী গান এবং পুরো ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরের রচনা করবেন, আর বিশাল মিশ্রা চারটি মূল গান রচনা করবেন। তানিশক বাগচি একটী ট্র্যাকের সঙ্গে আরস্লান নিজামি ও ফাহিম আবদুল্লাহের সহযোগিতায় সঙ্গীত তৈরি করবেন। এই সমন্বয়টি ছবির থিম ও স্কেলকে সঠিকভাবে প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছে।
জি মিউজিকের চিফ বিজনেস অফিসার সুজাল পারেখের মতে, ‘Toxic’ চলচ্চিত্রটি প্যান-ইন্ডিয়া সিনেমার প্রকৃত স্বরূপকে উপস্থাপন করে, যেখানে গল্প, পরিসর এবং দৃষ্টিভঙ্গি ভাষা ও অঞ্চল সীমা অতিক্রম করে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে একক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সব ভাষায় সঙ্গীত প্রকাশের মাধ্যমে দেশের সর্বত্র সমানভাবে শোনার সুযোগ তৈরি হবে এবং স্ট্রিমিং যুগের চাহিদা মেটাবে।
KVN প্রোডাকশনসের চেয়ারম্যান ভেঙ্কট ক. নারায়ণও সঙ্গীতের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে ‘Toxic’ ছবির জন্য এমন একটি সাউন্ডট্র্যাক দরকার যা সাহসী, ভিন্নধর্মী এবং স্মরণীয় হয়। তিনি যোগ করেছেন যে KVN-এ সবসময়ই সঙ্গীতকে কেবল ব্যাকগ্রাউন্ড নয়, গল্পের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
এই চুক্তি ছবির প্যান-ইন্ডিয়া রিলিজ কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একাধিক ভাষায় একসাথে গানের লঞ্চের মাধ্যমে দর্শকরা তাদের নিজস্ব ভাষায় সঙ্গীতের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারবেন, যা সিনেমার আবেগগত প্রভাবকে বাড়িয়ে তুলবে। স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ধরনের একত্রিত সঙ্গীত প্রকাশের পদ্ধতি বাজারে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
‘Toxic’ ছবির সঙ্গীতের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে অগ্রসর হয়েছে এবং শীঘ্রই বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা ও সঙ্গীত স্টোরে প্রকাশিত হবে। চলচ্চিত্রের মুক্তি ও সঙ্গীতের একসাথে রিলিজের মাধ্যমে দর্শকরা একটি সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা পাবে, যেখানে গল্প, ভিজ্যুয়াল এবং সুরের সমন্বয় একত্রে উপভোগ করা যাবে।



