বিসিবি (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম আজ মিডিয়াকে জানালেন, আমিনুলের পূর্বের উত্সাহ ও বর্তমান অবস্থান নিয়ে তিনি কীভাবে দেখছেন এবং নির্বাচিত বোর্ডের কার্যপ্রণালী কী রকম তা স্পষ্ট করেছেন।
আদালতে শোনা যায়, আমিনুল দায়িত্ব গ্রহণের আগে বিষয়টি নিয়ে বেশ সক্রিয় ছিলেন। তবে তিনি যখন মন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হলেন, তখন তার বক্তব্যে পরিবর্তন দেখা যায়, এ বিষয়ে বিসিবি পরিচালকের মন্তব্য শোনা গেল।
নাজমুলের মতে, আমিনুলের পূর্বের মন্তব্য এবং এখনকার অবস্থান ভিন্ন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারে যোগদানের আগে ও পরে মানুষের কথা কখনো কখনো পরিবর্তিত হয়, তাই এই পার্থক্যকে তিনি স্বাভাবিক হিসেবে দেখছেন।
তিনি যোগ করেন, দায়িত্বের জায়গা থেকে কথা বলা গুরুত্বপূর্ণ, তাই কোনো মন্তব্যের ক্ষেত্রে দায়িত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে কথা বলা উচিত, এটাই তার মূল ধারণা।
নিজের কাজের ধারা সম্পর্কে নাজমুল স্পষ্টভাবে বললেন, তিনি পূর্বে যেভাবে কাজ করছিলেন, এখনো সেভাবেই কাজ করছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিসিবি একটি নির্বাচিত বোর্ড, এবং বর্তমান সরকারও নির্বাচিত, তাই দুজনই তাদের নিজস্ব নিয়ম মেনে চলবে।
বিসিবি পরিচালকের মতে, বোর্ডের কাজের পদ্ধতি পরিবর্তন হবে না; তারা তাদের নিজস্ব নীতি ও প্রোটোকল অনুসরণ করবে। সরকার কীভাবে এগোবে তা সরকারই নির্ধারণ করবে, তবে বিসিবি তার কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।
আদালতে চলমান বিসিবি নির্বাচনী মামলার বিষয়ে নাজমুলের মন্তব্য সীমিত রাখলেন। তিনি স্বীকার করেন, মামলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারেন, তবে বিসিবি তাদের বক্তব্য আটকে রাখতে পারবে না।
মামলার কোনো ধারা বা আদালতের কোনো নির্দেশনা থাকলে তা বিচারাধীন (সাবজুডিস) হিসেবে বিবেচিত হবে, তাই তিনি এ বিষয়ে কোনো বিশদে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন।
নাজমুল শেষ করে বলেন, বিসিবি নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও তার কার্যক্রমের বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করা তার নীতি, এবং তিনি আদালতের কোনো সিদ্ধান্তের আগে কোনো মন্তব্যে রাজি নন।
সারসংক্ষেপে, বিসিবি পরিচালকের বক্তব্য স্পষ্ট যে, আমিনুলের পূর্বের ও বর্তমান অবস্থানের পার্থক্য স্বাভাবিক, নির্বাচিত বোর্ডের কাজের ধারাবাহিকতা অটুট থাকবে এবং চলমান মামলার বিষয়ে তারা বিচারাধীন অবস্থায় মন্তব্য করবে না।



