23.4 C
Dhaka
Sunday, February 22, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলালাভিয়াই নিলসেন পার্সে অলিম্পিকের পর বার্নআউট স্বীকার

লাভিয়াই নিলসেন পার্সে অলিম্পিকের পর বার্নআউট স্বীকার

লাভিয়াই নিলসেন, ২৯ বছর বয়সী ব্রিটিশ স্প্রিন্টার, ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকের শেষের পর নিজের মানসিক ও শারীরিক অবসাদ স্বীকার করেন। তিনি জানান, অলিম্পিকের পর তিনি “মানসিক, মানসিক ও মানসিক” দিক থেকে বার্নআউটের শিকারে পরিণত হয়েছেন। এই অবস্থা তাকে শারীরিকভাবে ক্লান্ত করে তুলেছিল এবং দৈনন্দিন কাজকর্মেও বাধা সৃষ্টি করেছিল।

নিলসেনের মতে, অলিম্পিকের পর সকালে বিছানা থেকে উঠে ট্র্যাকে যাওয়া পর্যন্ত তার সব শক্তি শেষ হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, “এটা আমার জন্য অস্বাভাবিক ছিল, থামতে হবে এমন অনুভূতি আসা”। এই অস্বাভাবিকতা তাকে নিজের গতি কমাতে বাধ্য করে, যদিও তিনি আগে কখনো এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেননি।

অবশেষে, নিলসেন তিন মাসের বিশ্রাম নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তের আগে যে আলোচনা গুলো হয়েছিল, সেগুলোই সবচেয়ে কঠিন ছিল, তবে একবার সিদ্ধান্ত নিলে পরবর্তী পদক্ষেপ সহজ হয়ে যায়। বিশ্রামের সময় তিনি শারীরিক ও মানসিক পুনরুদ্ধারের দিকে মনোনিবেশ করেন।

নিলসেনের ক্রীড়া ক্যারিয়ার তার কিশোর বয়স থেকেই শুরু হয়; তিনি টিম জিবি-র প্রতিনিধিত্ব করেন এবং ২০১৭ সালে প্রথম সিনিয়র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে পদক জিতেছিলেন। তবু, প্যারিস অলিম্পিকের সময় তার সামাজিক কার্যক্রমগুলো তাকে ক্লান্তি এনে দেয়, যা তার পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলেছিল।

অলিম্পিকের পর তার সামাজিক মেলামেশা “ক্লান্তিকর” হয়ে ওঠে, যা তার মানসিক স্বাস্থ্যের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। যদিও তিনি শারীরিকভাবে শীর্ষে ছিলেন, তবু মানসিক দিক থেকে তিনি একাকিত্বের মুখোমুখি হন। এই অভিজ্ঞতা ক্রীড়াবিদদের মধ্যে বার্নআউটের বিস্তৃত সমস্যার ইঙ্গিত দেয়।

ক্রীড়া জগতে সীমাবদ্ধ না থেকে, বার্নআউটের প্রভাব তরুণ কর্মীদের মধ্যেও স্পষ্ট। মানসিক স্বাস্থ্য যুক্তরাজ্য (Mental Health UK) ২০২৫ সালের একটি প্রতিবেদনে জানায়, ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সের তরুণ কর্মীদের মধ্যে ৩৯% মানসিক চাপের কারণে কাজ থেকে বিরতি নিয়েছেন। এই সংখ্যা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যার গভীরতা তুলে ধরে।

প্রতিষ্ঠানটি বার্নআউটকে “শারীরিক, মানসিক ও আবেগীয় ক্লান্তি” হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে এবং উল্লেখ করে যে এটি দীর্ঘ সময়ের উপর ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে, ফলে সময়মতো সনাক্ত করা কঠিন হতে পারে। বার্নআউটের লক্ষণগুলো প্রায়শই সূক্ষ্মভাবে প্রকাশ পায়, যা কর্মীরা প্রায়ই উপেক্ষা করে থাকে।

তবে, তরুণ কর্মীরা প্রায়শই নিজেদের চাপ সম্পর্কে কথা বলতে অনিচ্ছুক থাকে, যদিও তারা কর্মস্থলে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে বলে ধরা হয়। এই নীরবতা সমস্যার সমাধানকে আরও কঠিন করে তোলে এবং কর্মস্থলের পরিবেশে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।

মানসিক স্বাস্থ্য যুক্তরাজ্যের ২০২৬ সালের বার্নআউট রিপোর্টে কর্মস্থলের অতিরিক্ত কাজের চাপ, অনির্ধারিত সময়সূচি এবং সমর্থনের অভাবকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই উপাদানগুলো তরুণ কর্মীদের মধ্যে বার্নআউটের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যার দিকে নিয়ে যায়।

লাভিয়াই নিলসেনের অভিজ্ঞতা এবং তরুণ কর্মীদের উপর প্রতিবেদন থেকে স্পষ্ট হয় যে, বার্নআউটের লক্ষণগুলোকে সময়মতো চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় সমর্থন প্রদান করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। শারীরিক সাফল্য অর্জনের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া ভবিষ্যতে দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্স বজায় রাখতে অপরিহার্য।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments