21.8 C
Dhaka
Sunday, February 22, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইরানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রদের প্রথম বৃহৎ প্রতিবাদ শুরু

ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রদের প্রথম বৃহৎ প্রতিবাদ শুরু

ইরান সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্রদের প্রথম বৃহৎ প্রতিবাদ গত শনিবার তেহরানের শারিফ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি এবং মাশহাদের কিছু ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। নতুন সেমিস্টারের সূচনায় হাজার হাজার নিহতের স্মরণে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে শান্তিপূর্ণভাবে মার্চ করে। এই প্রতিবাদগুলো গত মাসের প্রাণঘাতী দমনকাণ্ডের পর প্রথম বড় আকারের জনসাধারণের প্রতিবাদ হিসেবে চিহ্নিত।

শারিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি রাস্তা থেকে শুট করা ভিডিওতে শতাধিক ছাত্রকে স্লোগান চিৎকার করে এবং ধ্বনিতভাবে গাইতে দেখা যায়। তারা মৃতদের স্মরণে মোমবাতি জ্বালিয়ে এবং শোকের গান গেয়ে সমবেত হয়। শিক্ষার্থীরা রবিবারও অতিরিক্ত সমাবেশের আহ্বান জানায়।

মাশহাদে একই রকম একটি সমাবেশের প্রতিবেদন পাওয়া গেছে, যেখানে স্থানীয় ছাত্ররা শহরের প্রধান সড়কে একত্রিত হয়ে একই উদ্দেশ্য প্রকাশ করেছে। উভয় শহরের প্রতিবাদে কোনো হিংসাত্মক সংঘর্ষের সরাসরি তথ্য পাওয়া যায়নি।

অননুমোদিত ভিডিওতে তেহরানের বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি শান্তিপূর্ণ সিট-ইন প্রতিবাদ চলতে দেখা যায়। অংশগ্রহণকারীরা ক্যাম্পাসের নির্দিষ্ট স্থানে বসে সরকারের নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।

দিনের পরবর্তী সময়ে তেহরানের অন্য কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে ছোটো সমাবেশের খবর আসে, যেখানে সমর্থক ও বিরোধী গোষ্ঠীর মধ্যে সীমিত সংঘর্ষের দৃশ্য দেখা যায়। তবে বর্তমানে কোনো গ্রেফতার বা গুরুতর আঘাতের তথ্য নিশ্চিত করা যায়নি।

মার্কিন সরকার ইরানের নিকটে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়ে তুলেছে এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প সীমিত সামরিক আক্রমণ বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন। ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলোও ইরান সরকারকে পারমাণবিক অস্ত্রের দিকে অগ্রসর হওয়ার সন্দেহ প্রকাশ করেছে, যদিও ইরান সরকার এ বিষয়টি অস্বীকার করে।

মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তারা সুইজারল্যান্ডে মঙ্গলবার একত্রিত হয়ে পারমাণবিক প্রোগ্রাম সীমাবদ্ধ করার আলোচনায় অগ্রগতি রিপোর্ট করেছে। দুই পক্ষের মধ্যে কিছু সমঝোতা হয়েছে বলে জানানো হলেও, ডোনাল্ড ট্রাম্প পরবর্তীতে উল্লেখ করেন যে পরবর্তী দশ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ পাবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা সম্ভাব্য চুক্তি বা সামরিক পদক্ষেপের দিকে দৃষ্টিপাত করছেন। যদি চুক্তি না হয়, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা বাড়বে বলে বিশ্লেষকরা সতর্কতা প্রকাশ করছেন।

ইতিহাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প পূর্বে ইরানীয় প্রতিবাদকারীদের সমর্থন জানিয়েছেন এবং সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি এক সময় বলেছিলেন, “সহায়তা পথে আছে” এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইরানের জনগণের সঙ্গে সংহতি বজায় রাখতে আহ্বান জানিয়েছেন।

গত জানুয়ারির শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (Hrana) জানিয়েছে যে সরকারী দমনকাণ্ডে কমপক্ষে ৬,১৫৯ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এই সংখ্যা পূর্বের অনুমানকে ছাড়িয়ে যায় এবং ইরানের অভ্যন্তর

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments