25.7 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশিপিং মন্ত্রী শাখ রাবিউল আলমের নির্দেশে ১৮০ দিনের মধ্যে মংলা বন্দর ব্যবস্থাপনায়...

শিপিং মন্ত্রী শাখ রাবিউল আলমের নির্দেশে ১৮০ দিনের মধ্যে মংলা বন্দর ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক পরিবর্তন

শিপিং মন্ত্রী শাখ রাবিউল আলম আজ মংলা বন্দর পরিদর্শনের পর জানিয়েছেন, পরবর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে বন্দরের ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোতে ব্যাপক সংস্কার কার্যকর করা হবে। তিনি নিজে 현장 পরিদর্শন করে বন্দরটির জাতীয় অর্থনীতি ও বিদেশি বাণিজ্যে গুরুত্ব তুলে ধরেছেন এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রধানমন্ত্রীকে জানাবেন বলে উল্লেখ করেছেন।

মন্ত্রীর মতে, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ অনুসারে বন্দর উন্নয়নের জন্য ত্বরিত পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যা কর্মসংস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বন্দরটির কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেশের রপ্তানি-আমদানি কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা লক্ষ্য।

বাংলাদেশ সরকার মংলা বন্দরকে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে। রাবিউল আলম জোর দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত হলে মংলা বন্দর শীঘ্রই চট্টগ্রাম বন্দর সমমানের পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর বন্দর হয়ে উঠবে।

বন্দরের উন্নয়ন পরিকল্পনা সরকারী ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে বন্দর ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোতে স্পষ্ট পরিবর্তন দেখা যাবে। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন, চট্টগ্রাম ও মংলা দুটোই সমানভাবে উন্নত হবে, কোনো বৈষম্য থাকবে না।

আসন্ন সময়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে স্থগিত থাকা উন্নয়ন চুক্তিগুলোও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে পুনর্বিবেচনা করা হবে। রাবিউল আলম বলেন, ক্ষতি সৃষ্টিকারী চুক্তিগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে বিশ্লেষণ করে পুনরুজ্জীবনের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের দিক থেকেও মংলা নদীর উপর সাসপেনশন ব্রিজের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, এই প্রকল্পটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রেলওয়ে সংক্রান্ত আরেকটি উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে মংলা-খুলনা রুটে একাধিক ট্রেন চালু করা। নতুন কোচ ও ইঞ্জিন যোগ করে রেলগাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে, যা পণ্য পরিবহনের গতি ও দক্ষতা বাড়াবে। এই পদক্ষেপগুলো বন্দর ও আশেপাশের শিল্পখাতের জন্য অতিরিক্ত লজিস্টিক সুবিধা প্রদান করবে।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী শাখ রাবিউল আলম মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে একটি মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রী ড. শেখ ফারিদুল ইসলাম এবং শিপিং সেক্রেটারি নুরুন্নাহার চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উভয় পক্ষের মতামত শেয়ার করা হয় এবং বন্দর উন্নয়নের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সকল সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বয়মূলক কাজই বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে সহায়তা করবে।

মংলা বন্দরকে দেশের প্রধান বাণিজ্যিক গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকারী অগ্রাধিকার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে, দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। রাবিউল আলমের মন্তব্য অনুসারে, এই সংস্কারগুলো সম্পন্ন হলে বন্দরটি কেবলমাত্র পরিমাণগত নয়, গুণগত দিক থেকেও চট্টগ্রাম বন্দরকে সমান করবে।

পরবর্তী পর্যায়ে সরকার সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে নির্দিষ্ট সময়সীমা ও বাজেট নির্ধারণ করবে, যাতে ১৮০ দিনের মধ্যে লক্ষ্য অর্জন নিশ্চিত হয়। মন্ত্রীর শেষ মন্তব্যে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, মংলা বন্দরকে দেশের বাণিজ্যিক কাঠামোর মূল স্তম্ভে রূপান্তরিত করা জাতীয় অগ্রাধিকারের অংশ।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments