25.7 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধযাত্রাবাড়িতে তল্লাশির সময় কনস্টেবলকে ছুরিকাঘাত, চার যুবক পালিয়ে যায়

যাত্রাবাড়িতে তল্লাশির সময় কনস্টেবলকে ছুরিকাঘাত, চার যুবক পালিয়ে যায়

ঢাকার যাত্রাবাড়ি এলাকায় শনিবার দুপুর ২টার দিকে তল্লাশি পরিচালনা করতে গিয়ে কনস্টেবল শাহ আলমের কপালে ছুরি আঘাতের ঘটনা ঘটেছে। তল্লাশি চলাকালীন চারজন যুবক ছুরি ব্যবহার করে পুলিশ সদস্যকে আঘাত করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।

আহত কনস্টেবলকে তৎক্ষণাৎ কুতুবখালী পকেট গেট সংলগ্ন তল্লাশি চৌকিতে রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে কপালের গহ্বরের ক্ষত চিকিৎসা চলছে।

যাত্রাবাড়ি থানা ওসি মোহাম্মদ রাজু জানিয়েছেন, সন্দেহভাজনরা একসঙ্গে চারজন ছিল এবং তল্লাশির ঠিক আগে একজন যুবক ছুরি বের করে কনস্টেবলকে আঘাত করে। আক্রমণের পর তারা দ্রুত গলিতে ছুটে যায় এবং কোনো সশরীরে ধরা পড়েনি।

তল্লাশি চলাকালীন ছুরি ছাড়াও একটি ব্যাগ ফেলে যাওয়া দেখা যায়, যার ভিতরে ককটেল বোমার মতো দেখতে পাঁচটি হাতবোমা পাওয়া যায়। ব্যাগটি তৎক্ষণাৎ উদ্ধার করা হয় এবং বোমাগুলোকে নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করার কাজ পুলিশ দলে সম্পন্ন করেছে।

বোমা নিষ্ক্রিয়করণ প্রক্রিয়ায় কোনো সিভিল ক্ষতি ঘটেনি; বোমাগুলোকে ডিফিউজার ব্যবহার করে নিষ্ক্রিয় করা হয় এবং পরে নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করা হয়। এই ঘটনায় বোমা ব্যবহারের ইচ্ছা স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যা নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।

শাহ আলমের সহকর্মী নায়েক নজরুল ইসলাম জানান, এক যুবকের ব্যাগে সন্দেহজনক বস্তু দেখা গেলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশি করার সময়ই যুবক কনস্টেবলের কপালে ছুরি আঘাত করে পালিয়ে যায়, ফলে তল্লাশি দলকে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো সন্দেহভাজনের নাম প্রকাশ করা হয়নি, তবে অনুসন্ধান দল এলাকায় ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা চাচ্ছে।

দুর্ঘটনা সংক্রান্ত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহার, গুলিবিদ্ধ করা এবং সশস্ত্র অপরাধের অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তকারীরা ছুরির ধরন, বোমার রসায়ন এবং ব্যাগের ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশ্লেষণ করে অপরাধীর পরিচয় নির্ণয়ের চেষ্টা করছে। ফরেনসিক দল ব্যাগের ভিতরের উপাদান পরীক্ষা করে বোমার উৎপাদন উৎস সনাক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

অভিযুক্তদের গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত আদালতে চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষা থাকবে এবং পুলিশ নিরাপত্তা বাড়াতে অতিরিক্ত টহল চালু করেছে। তল্লাশি চৌকিতে অতিরিক্ত ক্যামেরা স্থাপন এবং রাউন্ডে শিফট বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনার পর পুলিশ তল্লাশি প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশ দিয়েছে এবং জনসাধারণকে কোনো সন্দেহজনক বস্তু দেখলে তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে আহ্বান জানিয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

অধিক তদন্তের ফলাফল এবং গ্রেফতার প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরবর্তী আদালত শোনানির তারিখ নির্ধারিত হলে তা জনসাধারণের সঙ্গে শেয়ার করা হবে। এই ধরনের সশস্ত্র অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments