25.7 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিএনসিপি নির্বাচন‑পরবর্তী সাধারণ সভা: সংগঠন শক্তিশালীকরণে নতুন অগ্রাধিকার

এনসিপি নির্বাচন‑পরবর্তী সাধারণ সভা: সংগঠন শক্তিশালীকরণে নতুন অগ্রাধিকার

দ্বিতীয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০ পর্যন্ত ধানমন্ডি এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় সাধারণ সভা আয়োজন করে, যেখানে ফলাফল বিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়।

এনসিপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৩০টি আসনে প্রার্থী দাখিল করে, যার মধ্যে ১১‑দলীয় নির্বাচনী ঐক্য‑সমর্থন ছিল, ঐ ঐক্যের নেতৃত্বে ছিল জামায়াত-এ-ইসলামি।

সেই ঐক্য‑সমর্থিত প্রার্থীদের মধ্যে ছয়জন নির্বাচনে সফল হন, বাকি প্রার্থীরা ফলাফল থেকে বাদ পড়ে। সফল প্রার্থীদের পাশাপাশি, পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সব প্রার্থীরই সম্মাননা প্রদান করে।

সভার প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল পার্টির তৃণমূল সংগঠনের দুর্বলতা। উপস্থিত নেতারা স্বীকার করেন, অধিকাংশ প্রার্থী তৃণমূল কাঠামোর অভাবে জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন, ফলে জামায়াত-এ-ইসলামির সহায়তা নিতে বাধ্য হন।

নেতারা জোর দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে স্থানীয় সরকার ও পরবর্তী সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিতে অন্য পার্টির উপর নির্ভর করা যাবে না; স্বতন্ত্র সংগঠন গড়ে তোলা জরুরি।

এজন্য এনসিপি তৃণমূল স্তরে সংগঠন বিস্তার ও শক্তিশালীকরণকে অগ্রাধিকার দেবে। পরিকল্পনায় নতুন কর্মসূচি চালু করা, স্বেচ্ছাসেবক নেটওয়ার্ক গঠন এবং স্থানীয় স্তরে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা অন্তর্ভুক্ত।

সভায় নির্বাচিত ছয়জন সংসদ সদস্যকে সম্মাননা দেওয়ার পাশাপাশি, পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সকল প্রার্থীর অবদানের স্বীকৃতি জানায়।

নেতারা উল্লেখ করেন, প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণার সময় সীমিত সময়ে কাজ সম্পন্ন করতে বাধ্য হয়েছেন, তবু তারা নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন।

এনসিপি ত্রয়োদশ নির্বাচনে প্রার্থী সংখ্যা ও সংগঠনের ঘাটতির কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জামায়াত-এ-ইসলামির সমর্থন নিতে হয়েছে, যা পার্টির স্বতন্ত্রতা ও স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্ন তুলেছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তৃণমূল স্তরে শাখা গঠন, স্থানীয় নেতৃত্বের প্রশিক্ষণ এবং সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর জন্য কর্মশালা আয়োজনের কথা বলা হয়েছে।

এছাড়া, পার্টি নতুন যোগাযোগ চ্যানেল তৈরি করে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে চায়, যাতে নির্বাচনী সময়ে তথ্যের ঘাটতি না থাকে।

সভায় উপস্থিত নেতাদের মতে, সংগঠনকে দৃঢ় করে পার্টি পরবর্তী স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে, যা দেশের রাজনৈতিক বৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments