25.7 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনজরুল ইসলাম খান ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’তে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের অভিযোগ

নজরুল ইসলাম খান ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’তে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের অভিযোগ

২১ ফেব্রুয়ারি শনিবার, ঢাকার এফডিসি মিলনায়তনে ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’ নামের ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত থেকে বক্তৃতা দেন। তিনি রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বর্তমান অবস্থা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের পথ নির্দেশ করার আহ্বান জানান।

বিতর্ক প্রতিযোগিতাটি ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ পরিচালনা করেন। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন, যা তরুণদের রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছিল।

বক্তৃতায় নজরুল ইসলাম খান উল্লেখ করেন যে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দলীয়করণ, আত্মীয়প্রীতি এবং দুর্নীতির ফলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে। তিনি বলেন, অযোগ্য ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ফলে সৃষ্ট অবনতি প্রত্যাশার চেয়েও বেশি এবং তা অতিক্রম করা জরুরি।

তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে বলেন, মানুষ কেবল মুখে জন্ম নেয় না, দু’টি হাত ও একটি মস্তিষ্ক নিয়ে জন্ম নেয়। দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে যদি কার্যকর মানবসম্পদে রূপান্তর করা যায়, তবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের অবস্থান সমৃদ্ধিশালী দেশগুলোর মধ্যে থাকবে।

অভিজ্ঞতা ও তরুণ শক্তির সমন্বয়কে তিনি দেশের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হিসেবে উল্লেখ করেন। যদিও বয়স্কদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অপরিহার্য, বাস্তব কাজের জন্য তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ দরকার। তিনি বলেন, তরুণরা না হলে বড় পরিবর্তন সাধন করা কঠিন।

তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি একাধিক বার্তা দেন। প্রথমে তিনি বলেন, শুধুমাত্র দুঃখ প্রকাশে সময় নষ্ট করা যাবে না; লাল-সবুজের পতাকা দৃঢ়ভাবে ধরতে হবে। এরপর তিনি সাহসিকতার প্রেরণা দিয়ে মস্তিষ্ককে নতুন ধারণা দিয়ে পূর্ণ করতে এবং নতুন দিনের তরঙ্গ তুলতে আহ্বান জানান। শেষমেশ তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের অধিকার অর্জনের জন্য প্রচেষ্টা চালাতে উৎসাহিত করেন।

নজরুল ইসলাম খানের মন্তব্যগুলো, যেহেতু তিনি প্রধানমন্ত্রীকে রাজনৈতিকভাবে পরামর্শদাতা এবং একই সঙ্গে বিএনপির উচ্চপদস্থ সদস্য, তাই বর্তমান শাসনব্যবস্থার সমালোচনা হিসেবে দেখা যায়। তার বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি পার্টি-নির্ভরতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনমত গঠন করার চেষ্টা করছেন, যা আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক আলোচনার নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে।

এই ধরনের সমালোচনা ও আহ্বান ভবিষ্যতে বিএনপির যুব সংগঠনগুলোকে সক্রিয় করে তুলতে পারে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়তা করবে। অন্যদিকে, শাসনকারী দলও এই ধরনের সমালোচনার জবাবে নিজের নীতি ও কর্মসূচি তুলে ধরতে পারে, যা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে তীব্র করবে।

অনুষ্ঠান শেষে চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ সমাপনী বক্তব্য দেন এবং অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে ফিরে গিয়ে আলোচনার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যায়। এই ইভেন্টটি দেশের রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments