31.5 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইমাম‑খতিব ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা ঈদের আগে শুরু হবে, সরকার ঘোষণা

ইমাম‑খতিব ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা ঈদের আগে শুরু হবে, সরকার ঘোষণা

তেজগাঁও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গেইটে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপদেষ্টা মাহদী আমিন সরকারকে ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মগুরুদের জন্য সম্মানী ভাতা প্রদান পরিকল্পনা জানিয়ে জানান। এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনের সময় বিএনপির অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল মসজিদ ও ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা, যা এখন বাংলাদেশ সরকার বাস্তবায়ন করছে।

মাহদী আমিনের সঙ্গে স্থানীয় সরকার ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন। দুজনেই একমত হন যে, ঈদুল ফিতরের আগে কিছু নির্বাচিত এলাকায় এই ভাতা প্রদান শুরু করা হবে এবং পরে ধীরে ধীরে সারাদেশে এই ব্যবস্থা চালু করা হবে। এতে ধর্মীয় নেতাদের মৌলিক আর্থিক চাহিদা পূরণে সহায়তা করা এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোকে সমর্থন করা লক্ষ্য করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলীও একই দিনে উপস্থিত হয়ে জানান, আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তৃতীয় কর্মদিবস। তিনি নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন, যার মধ্যে ধর্মীয় নেতাদের জন্য সম্মানী ভাতা প্রদানও অন্তর্ভুক্ত। শিবলী উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগটি সরকারকে নির্বাচনের সময় করা প্রতিশ্রুতি পূরণে সহায়তা করবে এবং জনগণের কাছে সরকারের দায়িত্বশীলতা বাড়াবে।

প্রকল্পের প্রথম ধাপ হিসেবে তেজগাঁও, ঢাকা ও তার আশেপাশের কিছু এলাকায় ভাতা বিতরণ শুরু হবে। সরকার জানিয়েছে, নির্বাচনের আগে ঘোষিত এই পরিকল্পনা এখন বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং ঈদুল ফিতরের আগে প্রথম বন্টন সম্পন্ন হবে। এরপর ধাপে ধাপে অন্যান্য জেলা ও শহরে এই ভাতা প্রদান চালু করা হবে, যাতে সব ধর্মীয় নেতারা সমানভাবে উপকৃত হন।

এই ঘোষণার পর, ধর্মীয় সম্প্রদায়ের কিছু প্রতিনিধিরা সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, ভাতা প্রদান তাদের ধর্মীয় কাজকর্মে আর্থিক স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা আনবে। একই সঙ্গে, সরকারকে এই ধরনের সামাজিক কল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনের সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকার উল্লেখ করেছে, ভাতা প্রদান প্রক্রিয়ার জন্য একটি স্বচ্ছ ও ত্বরিত পদ্ধতি গড়ে তোলা হবে, যাতে প্রত্যেক ধর্মীয় নেতা সময়মতো আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন। এছাড়া, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ধর্মীয় ক্ষেত্রের উন্নয়ন ও সামাজিক সমন্বয় বাড়ানোর লক্ষ্যও স্পষ্ট করা হয়েছে।

সারসংক্ষেপে, ঈদ পূর্বে ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী ভাতা প্রদান শুরু করার সিদ্ধান্তটি নির্বাচনের সময় করা প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকার এই পরিকল্পনা ধাপে ধাপে সম্প্রসারিত করে সারাদেশে চালু করার পরিকল্পনা করেছে, যা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের আর্থিক স্বচ্ছতা ও সামাজিক সমন্বয়কে শক্তিশালী করবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments