31.5 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তেজগাঁও অফিসে পুরনো কর্মচারীদের সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তেজগাঁও অফিসে পুরনো কর্মচারীদের সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপ

শুক্রবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারেক রহমান উপস্থিত হন। প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন তাকে স্বাগত জানিয়ে অফিসের দরজা খুলে দেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনের সঙ্গে সঙ্গে তিনি অফিসের বাগানে একটি গাছ রোপণ করেন, যা কর্মচারীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া পায়। গাছ রোপণের পর তিনি অফিসের প্রবেশদ্বার পার হয়ে রেড ব্লকে প্রবেশ করেন, যেখানে তার অফিসিয়াল চেম্বার অবস্থিত।

প্রবেশের সময় কর্মচারীরা একপাশে সারিবদ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সালাম জানায়। এই মুহূর্তে তিনি এক কর্মচারীকে লক্ষ্য করেন, যিনি সারিতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। নাম ধরে ডাকার পর কর্মচারী দ্রুত নিরাপত্তা গেট অতিক্রম করে প্রধানমন্ত্রীর সামনে আসেন। দুজনের মধ্যে বিনয়পূর্ণ অভিবাদন বিনিময় হয় এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবারিক খবর জানার জন্য জিজ্ঞাসা করা হয়।

এরপর তিনি একইভাবে কয়েকজন পুরনো কর্মচারীর নাম ডেকে তাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথোপকথন করেন। অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উল্লেখ করেন, এই কর্মচারীরা প্রায় ১৯ বছর আগে, যখন খালেদা জিয়া সরকারে ছিলেন, তখনই দপ্তরে যোগদান করেন। আজ তাদের চুলে সাদা দাগ দেখা গেলেও, প্রধানমন্ত্রীর স্মরণশক্তি তীক্ষ্ণ এবং তিনি প্রত্যেককে নাম ধরে চেনেন।

কর্মচারীরা প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যক্তিগত আচরণে বিস্মিত ও আনন্দিত হয়েছেন। তারা জানান, এতদিনের পরেও প্রধানমন্ত্রীর এই ধরনের সরাসরি যোগাযোগের অভিজ্ঞতা তাদের জন্য বিশেষ অর্থবহ। আতিকুর রহমান রুমন বলেন, এই ঘটনা কর্মচারীদের মধ্যে উষ্ণতা ও সংহতির অনুভূতি জাগিয়ে তুলেছে।

গাছ রোপণ ও কর্মচারীদের সঙ্গে আলাপের পর প্রধানমন্ত্রীর রেড ব্লকে প্রবেশের সময় তিনি নিজের চেয়ারে বসে দিনের কর্মসূচি অনুসরণ করেন। আজকের প্রধান কাজের মধ্যে রয়েছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক ভাষা দিবসের স্মারক টিকিট উন্মোচন। টিকিট উন্মোচনের সময় তিনি উভয় জাতীয় দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সংক্ষিপ্তভাবে জানিয়ে দেন।

উন্মোচনের পর তিনি ক্যাবিনেট মিটিংয়ের প্রস্তুতি নেন। অতিরিক্ত প্রেস সচিবের মতে, মিটিংটি একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ নীতি বিষয়গুলো আলোচনা হবে। ক্যাবিনেট মিটিংয়ের সময় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি দেশের শীর্ষ নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় নিশ্চিত করবে।

এই অনুষ্ঠানটি শ্রীমতি খালেদা জিয়ার শাসনকালে দপ্তরে কাজ করা কর্মচারীদের জন্য স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আতিকুর রহমান রুমন উল্লেখ করেন, অনেক কর্মচারীর চুলে সাদা হয়ে গিয়েছে, তবু প্রধানমন্ত্রীর স্মরণশক্তি তাদের নাম সঠিকভাবে ধরে রাখে।

প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি কর্মচারীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলেছে এবং সরকারী কর্মপরিবেশে মানবিক স্পর্শের উদাহরণ স্থাপন করেছে। কর্মচারীরা জানান, এমন সরাসরি যোগাযোগ তাদের কাজের প্রতি উৎসাহ বাড়িয়ে দেয়।

সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রমে গাছ রোপণ, পুরনো কর্মচারীদের সঙ্গে আলাপ, স্মারক টিকিট উন্মোচন এবং ক্যাবিনেট মিটিং অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই ধারাবাহিকতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারী দপ্তরের মানবিক দিককে জোরদার করেছে।

অফিসে উপস্থিত সকল কর্মচারী ও কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে প্রশংসা করেছেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ব্যক্তিগত যোগাযোগের ধারাবাহিকতা কামনা করেছেন।

সার্বিকভাবে, তেজগাঁও অফিসে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানটি সরকারের কর্মচারীদের প্রতি সম্মান ও সংহতির প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রের ঐতিহ্য ও মানবিক মূল্যবোধ পুনরায় জোরদার হয়েছে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments