29.7 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিরুমিন ফারহানা ও সমর্থকরা শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার পর ঢাকা‑সিলেট মহাসড়কে অবরোধ

রুমিন ফারহানা ও সমর্থকরা শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার পর ঢাকা‑সিলেট মহাসড়কে অবরোধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১১:৫০ টায় সরাইল উপজেলার সদর শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। তার সঙ্গে কয়েক শ সমর্থক ছিলেন এবং তারা শুভেচ্ছা জানিয়ে স্লোগান দিয়ে উপস্থিতি চিহ্নিত করেন। রুমিন ফারহানা ১২:০১ টায় শহীদ মিনারে ফুল রাখার জন্য অপেক্ষা করছিলেন, তখনই বিএনপির কিছু নেতা ও কর্মী ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ শুরু করে।

ফুল প্রদান করার মুহূর্তে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা BNP বর্তমান সদস্য আনোয়ার হোসেন মাস্টারও উপস্থিত ছিলেন। উভয় দলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ে এবং কিছু সমর্থক জুতা পায়ে শহীদ মিনারে উঠে পড়ে। ফলস্বরূপ, রুমিন ফারহানার হাতে থাকা ফুলগুলো ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং প্রাঙ্গণে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।

ফুল দেওয়ার ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশের পর রুমিন ফারহানার সমর্থকরা রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা‑সিলেট মহাসড়কের শাহবাজপুর এলাকায় অবরোধ গড়ে তোলেন। তারা লাঠি ও দড়ি ব্যবহার করে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে যান, ফলে সব ধরনের গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অবরোধকারীরা আনোয়ার হোসেন মাস্টারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ চালিয়ে যায়।

সরাইল থানা ও খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং রাত দেড়টার দিকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেয়। পুলিশ উপস্থিতির পর অবরোধকারীরা ধীরে ধীরে সরে দাঁড়ায়, তবে এক ঘণ্টার বেশি সময়ে মহাসড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

সরাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিছুল ইসলাম ঠাকুর প্রথম আলোকে জানান, শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার বিষয়ে তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত ছিল এবং অন্য কোনো নির্দেশনা নেই। তিনি উল্লেখ করেন, বিষয়টি নিয়ে দলীয় পর্যায়ে আলোচনা হবে এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে। খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলমও জানিয়ে দেন, রাত দেড়টার পর মহাসড়কে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।

এই ঘটনা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি চলাকালীন সময়ে ঘটেছে, যেখানে রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া ও হট্টগোলের পর মহাসড়কে অবরোধের মাধ্যমে উভয় দলের সমর্থকরা রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে।

বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত করছেন, এই ধরনের সরাসরি মুখোমুখি সংঘর্ষ নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের সময় পার্টি ভিত্তিক সমর্থনকে প্রভাবিত করতে পারে এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ বাড়াতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আইনগত পদক্ষেপ বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, এবং উভয় পক্ষই পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments