হাসিনা মান যাবে ২ চলচ্চিত্রের প্রযোজনার কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। স্মিতা থ্যাকরেয়ের তত্ত্বাবধানে নতুন স্ক্রিপ্ট লেখা ও পরিচালনা দায়িত্বে ফারহাদ সামজি নিয়োজিত। কাস্টিং প্রক্রিয়া মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
১৯৯০-এর দশকের জনপ্রিয় কমেডি হাসিনা মান যাবে এখন আধুনিক দর্শকের জন্য পুনর্নির্মাণের পথে। মূল ছবির রসিকতা ও হালকা মেজাজ বজায় রেখে গল্পের কাঠামোকে সমসাময়িক সময়ের প্রেক্ষাপটে সাজানো হচ্ছে।
প্রকল্পের স্ক্রিপ্টিং কাজ দ্রুতগতিতে অগ্রসর হচ্ছে। লেখক ও পরিচালক ফারহাদ সামজি মূল কাহিনীর মূল সত্তা সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করছেন, তবে চরিত্র ও ঘটনাবলিকে বর্তমানের সামাজিক রঙে রঙিন করার জন্য নতুন মোড় যোগ করা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে ডেভিড ধাওয়ানের সঙ্গে সহযোগিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে ধাওয়ান জুডওয়া ও কুলি নং ১ এর পর আর তার পুরনো কমেডি ধারাবাহিক পুনরায় না করার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে প্রকল্পটি অন্য একজন তরুণ পরিচালককে খুঁজে বের করার দিকে অগ্রসর হয়।
ফারহাদ সামজি ডেভিড ধাওয়ানের আশীর্বাদ নিয়ে কাজ শুরু করেন। ধাওয়ানের অনুমোদন প্রকল্পের সৃজনশীল দিককে শক্তিশালী করতে সহায়তা করেছে বলে জানা যায়। নতুন পরিচালক হিসেবে সামজি তার নিজস্ব শৈলী ও হিউমার যুক্ত করে ছবিটিকে আধুনিক রূপ দিচ্ছেন।
সিক্যুয়েলের জন্য দুইজন শীর্ষস্থানীয় বর্তমান প্রজন্মের অভিনেতাকে প্রধান ভূমিকায় রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। গৌরবপূর্ণ পুরনো যুগের গৌরবের সঙ্গে নতুন মুখের তাজা শক্তি মিশিয়ে দর্শকের কাছে পুনরায় মুগ্ধতা আনতে চাওয়া হচ্ছে।
হাসিনা মান যাবে ২ মূল ছবির সত্তা বজায় রাখবে, তবে গল্পের পটভূমি ও সংলাপকে আজকের সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে। পুরনো হিট গানের সুরে নতুন রিদম যুক্ত করে সঙ্গীতের দিক থেকেও পুনর্নবীকরণ করা হবে।
প্রযোজনা সংস্থা জানিয়েছে, ছবির শুটিং শিডিউল ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে শুরু হবে। পোস্ট-প্রোডাকশন কাজ সম্পন্ন করে বছরের শেষের দিকে মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে।
কমেডি জঁরটি বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে, তবে এই সিক্যুয়েলটি নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে দর্শকের কাছে হাসি-খুশি ফিরিয়ে আনতে পারে। শিল্পের অভ্যন্তরে এই ধরনের পুরনো ক্লাসিকের পুনরুজ্জীবনকে ইতিবাচক সিগন্যাল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা ও বাজারের চাহিদা বিবেচনা করে, প্রযোজকরা আশা করছেন যে হাসিনা মান যাবে ২ বক্স অফিসে সফলতা অর্জন করবে এবং একই সঙ্গে পরিবারিক বিনোদনের মানদণ্ডকে উঁচু করবে।
সামগ্রিকভাবে, হাসিনা মান যাবে ২ একটি সমসাময়িক কমেডি হিসেবে পুরনো স্মৃতিকে নতুন রঙে রাঙিয়ে দর্শকের কাছে উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই উদ্যোগটি বাংলা-হিন্দি সিনেমার মিশ্রণকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং নতুন প্রজন্মের জন্য ক্লাসিকের সোনালী স্মৃতি জাগিয়ে তুলবে।



