মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবার ৬-৩ ভোটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের (IEEPA) অধীনে আরোপিত বৈশ্বিক শুল্ক নীতি বাতিলের রায় দেয়। রায়ে আদালত রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থার জন্য নির্ধারিত আইনকে প্রেসিডেন্টের একতরফা শুল্ক আরোপের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা অতিরিক্ত ক্ষমতা দাবি করে। এই সিদ্ধান্তটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক বাজারে তীব্র প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছে।
বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বে সংরক্ষণবাদী প্রধান বিচারপতি রচনা করা রায়ে নিম্ন আদালতের পূর্ববর্তী রায়কে নিশ্চিত করা হয়। রবার্টস রায়ে উল্লেখ করেন যে প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের জন্য স্পষ্টভাবে কংগ্রেসের অনুমোদন দরকার, যা ট্রাম্পের ব্যাখ্যা থেকে ভিন্ন। রায়ে উল্লেখিত ৬-৩ ভোটে কংগ্রেসিয়ান রক্ষণশীল বিচারপতি ক্লারেন্স থমাস, স্যামুয়েল আলিটো ও ব্রেট কাভানাগো বিরোধিতা করেন।
মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ‘মেজর কোয়েশ্চনস’ নীতি প্রয়োগ করা হয়েছে, যা বড় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাবসম্পন্ন এক্সিকিউটিভ পদক্ষেপের জন্য কংগ্রেসের স্পষ্ট অনুমোদন দাবি করে। আদালত রায়ে জোর দেয় যে IEEPA আইনটি কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের বিস্তৃত ক্ষমতা দেয় না। এই নীতি পূর্বে জো বাইডেনের কিছু এক্সিকিউটিভ পদক্ষেপকে বাধা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।
মেজর কোয়েশ্চনস নীতি রক্ষণশীল বিচারপতিদের দ্বারা সমর্থিত, যারা যুক্তি দেন যে এক্সিকিউটিভ শাখার বিস্তৃত ক্ষমতা কংগ্রেসের ভূমিকা হ্রাস করে। রবার্টস রায়ে উল্লেখ করেন যে প্রেসিডেন্টকে ‘স্পষ্ট কংগ্রেসীয় অনুমোদন’ দেখাতে হবে, না হলে শুল্ক আরোপের দাবি অগ্রহণযোগ্য। এই দৃষ্টিকোণ থেকে আদালত ট্রাম্পের শুল্ক নীতি কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া অপ্রয়োজনীয় বলে রায়



