30.9 C
Dhaka
Friday, February 20, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিমালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার বিন ইব্রাহিমের ফোনে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার বিন ইব্রাহিমের ফোনে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার বিন ইব্রাহিম আজ বিকেল প্রায় ৩টায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনিক আলোচনা করে নতুন মন্ত্রিপদ গ্রহণের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর অফিসের বিবরণে বলা হয়েছে, কলটি দু’দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে পারস্পরিক সমর্থন ও সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এই সংলাপের মাধ্যমে দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

আনওয়ার বিন ইব্রাহিমের কথায় তিনি মালয়েশিয়ার বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলোতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করেন। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের পারস্পরিক স্বার্থকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দুই সরকারকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার কথা তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

তারেক রহমান কলের সময় মালয়েশিয়ার শুভেচ্ছা গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের সরকারকে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর প্রতিশ্রুতি জানান। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর করার জন্য তিনি বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগের দিকে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে, বাণিজ্যিক বিনিময় বাড়ানো ও বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টিতে উভয় পক্ষের স্বার্থকে সমন্বয় করার কথা তিনি উল্লেখ করেন।

তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া পারস্পরিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতা বজায় রাখবে। এই ধরনের উচ্চস্তরের সংলাপ উভয় দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও কূটনৈতিক স্বার্থের সমন্বয়কে ত্বরান্বিত করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ পূর্বে বহু ক্ষেত্রেই সফল সহযোগিতা গড়ে তুলেছে; সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাণিজ্যিক পরিমাণ বৃদ্ধি, শিক্ষার্থী বিনিময় ও স্বাস্থ্য সেবায় পারস্পরিক সহায়তা লক্ষ্য করা গেছে। এই ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দু’দেশের শীর্ষ নেতাদের সরাসরি যোগাযোগকে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

বিশেষত, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ডিজিটাল অর্থনীতি ও কৃষি প্রযুক্তিতে যৌথ গবেষণা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন উভয় দেশের জন্য পারস্পরিক লাভজনক হতে পারে। এছাড়া, পর্যটন শিল্পে নতুন প্যাকেজ ও সরাসরি ফ্লাইট সংযোগের মাধ্যমে পর্যটক প্রবাহ বাড়ানোর সম্ভাবনা উভয় পক্ষই বিবেচনা করছে।

দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া উভয়ই আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সংহতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ধরনের উচ্চস্তরের সংলাপ দক্ষিণ এশিয়ার সমগ্র স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর অফিস জানিয়েছে, দুই দেশের কূটনৈতিক মিশনগুলো শীঘ্রই পরস্পরের সঙ্গে কর্মসূচি নির্ধারণের জন্য অতিরিক্ত বৈঠক পরিকল্পনা করবে। এছাড়া, পরবর্তী মাসে দু’দেশের বাণিজ্যিক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি উচ্চস্তরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে এই নতুন সংলাপের সূচনা উভয় দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ভিত্তি তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। দুই দেশের নেতৃত্বের এই পারস্পরিক শুভেচ্ছা ও সহযোগিতার ইচ্ছা ভবিষ্যতে আরও সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা আনবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments