21 C
Dhaka
Friday, February 20, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিট্রাম্পের শান্তি বোর্ডের সদস্যরা গাজা ত্রাণে ৭ বিলিয়ন ডলার অঙ্গীকার

ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডের সদস্যরা গাজা ত্রাণে ৭ বিলিয়ন ডলার অঙ্গীকার

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে গঠিত শান্তি বোর্ডের প্রথম বৈঠকে সদস্য দেশগুলো গাজা অঞ্চলের ত্রাণ কাজের জন্য সাত বিলিয়ন ডলারের বেশি তহবিল প্রদান করতে সম্মত হয়েছে। এই ঘোষণা ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত সভায় করা হয়।

কাজাখস্তান, আজারবাইজান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরক্কো, বাহরাইন, কাতার, সৌদি আরব, উজবেকিস্তান এবং কুয়েত সহ নয়টি দেশ সম্মিলিতভাবে উল্লেখিত পরিমাণের অধিক তহবিল দান করেছে। এই অবদানগুলো গাজা পুনর্নির্মাণ ও মানবিক সহায়তার জন্য নির্ধারিত।

বৈঠকের সময় ট্রাম্প উল্লেখ করেন, গাজা আর উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসের কেন্দ্র নয়। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে গাজা পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা চালু করার ইঙ্গিত দেন।

ইউরোপীয় ও কানাডিয়ান দেশগুলো, যেমন যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স ও জার্মানি, শান্তি বোর্ডে যোগ দিতে অনিচ্ছুক। তারা বোর্ডের লক্ষ্যকে জাতিসংঘের ভূমিকা হ্রাসের সম্ভাবনা হিসেবে দেখছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গৃহীত গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায়ে হামাসের অস্ত্রনিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা পুনর্নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত। এই ধাপটি উভয় পক্ষের স্বীকৃতির ওপর নির্ভরশীল।

ট্রাম্পের মতে, বর্তমান আলোচনায় হামাসের অস্ত্রনিরস্ত্রীকরণের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। তবে গাজা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামাসের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের কোনো স্পষ্ট চিহ্ন দেখা যায়নি।

গাজা বাসিন্দারা জানান, হামাস এখনও গাজা স্ট্রিপের উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখছে এবং তার প্রভাব বাড়িয়ে চলেছে। এই পরিস্থিতি ত্রাণ কাজের কার্যকারিতা সীমিত করতে পারে।

বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বৈঠকে উল্লেখ করেন, ইসরাইলের শর্ত হল গাজা সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্রীকৃত না হওয়া পর্যন্ত কোনো পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু হবে না। এই শর্তটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয়ে গৃহীত হয়েছে।

যুদ্ধের সূচনা হয় ৭ অক্টোবর ২০২৩-এ হামাসের ইসরাইলের দক্ষিণ অংশে আক্রমণের ফলে, যেখানে প্রায় ১,২০০ মানুষ নিহত এবং ২৫১ জন বন্দি হয়। এই আক্রমণকে ট্রিগার করে ইসরাইলের ব্যাপক সামরিক প্রতিক্রিয়া।

ইসরাইলের গাজা অঞ্চলে চালু করা সামরিক অভিযান থেকে গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী ৭১,৫৫০ের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এই সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।

জাতিসংঘের অনুমান অনুসারে গাজা অঞ্চলের ক্ষতি প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এই বিশাল ক্ষতি পুনর্নির্মাণের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা অপরিহার্য।

যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স এবং জার্মানি সহ বেশ কিছু পশ্চিমা দেশ শান্তি বোর্ডে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রয়েছে। তারা বোর্ডের কাঠামোকে জাতিসংঘের বিকল্প হিসেবে দেখছে।

ট্রাম্প বৈঠকে আশ্বাস দেন যে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে এবং তাদের ভূমিকা পুনরুদ্ধার করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বোর্ডকে জাতিসংঘের সহায়ক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।

গাজা আর উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসের গরম ঘাঁটি নয়, এই দাবি ট্রাম্প পুনরায় উল্লেখ করেন। তিনি ত্রাণ প্যাকেজের দ্রুত বাস্তবায়নের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

উল্লেখিত নয়টি দেশের সমষ্টিগত অবদান সাত বিলিয়ন ডলারের বেশি, যা গাজা ত্রাণ ও পুনর্নির্মাণের জন্য বৃহৎ আর্থিক সহায়তা সরবরাহ করবে। এই তহবিলের ব্যবহার পরবর্তী পর্যায়ে নির্ধারিত হবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments