চেন্নাইতে অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপের শেষ গ্রুপ ম্যাচে আফগানিস্তান ২০০/৪ স্কোরে কানাডাকে ৮২ রানে পরাজিত করেছে। ইব্রাহিম জাদরান ৫৬ ball-এ ৭টি ফোর এবং ৫টি সিক্সসহ অচূড়া ৯৫ রান তৈরি করে দলের ত্বরান্বিত শট চালিয়ে যায়। এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আফগানিস্তান টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে উজ্জ্বল সমাপ্তি পায়।
জাদরানের আক্রমণাত্মক ইনিংসের পর সেদিকুল্লাহ আতাল ৪৪ রান যোগ করেন, দুজনের মধ্যে তৃতীয় উইকেট পর্যন্ত ৯৫ রানের অংশীদারিত্ব গড়ে ওঠে। উভয়ের সমন্বিত আক্রমণ দলকে দ্রুত ২০০ রানের সীমা অতিক্রম করতে সাহায্য করে, যা কানাডির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।
বোলিং দিক থেকে অভিজ্ঞ স্পিনার মোহাম্মদ নাবি ৪ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেয়, যা টুর্নামেন্টের তার সেরা টি২০ পারফরম্যান্স। নাবির এই জোরালো পারফরম্যান্স কানাডিকে ১১৮/৮ স্কোরে আটকে রাখে, ফলে তাদের রানের চাহিদা পূরণে বড় বাধা সৃষ্টি হয়।
অফিসিয়াল মন্তব্যে আফগানিস্তানের অধিনায়ক রশিদ খান বলেছিলেন, “আমরা এই প্রতিযোগিতার জন্য ভালোভাবে প্রস্তুত ছিলাম, কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকা (দ্বিগুণ সুপার ওভার) এর পরাজয় আমাদের পেছনে টেনে নিয়ে যায় এবং তা আমাদের উপর প্রভাব ফেলেছে।” তার এই কথা দলীয় মনোভাব ও টুর্নামেন্টের গতি সম্পর্কে ইঙ্গিত দেয়।
দলটি ২০২৪ সালের টি২০ বিশ্বকাপে সেমি-ফাইনালিস্ট হলেও গ্রুপ ডি-তে নিউজিল্যান্ডের (নিউজিল্যান্ড) সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকা (দক্ষিণ আফ্রিকা এ) এর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর সুপার ইটস পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। গ্রুপের শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা (দক্ষিণ আফ্রিকা এ) বসে, নিউজিল্যান্ড (নিউজিল্যান্ড) অন্য এক কোয়ালিফিকেশন স্লট নিশ্চিত করে, ফলে আফগানিস্তানের টুর্নামেন্ট যাত্রা শেষ হয়।
এই ম্যাচটি কোচ জোনাথন ট্রটের জন্যও শেষ পর্ব ছিল; তিনি জুলাই ২০২২ থেকে আফগানিস্তানের কোচিং দায়িত্বে ছিলেন। ট্রটের শেষ দিনটি দলের জয় দিয়ে শেষ হওয়ায় তার কোচিং মেয়াদ একটি সফল সমাপ্তি পায়।
কানাডা টিম পুরো টুর্নামেন্টে কোনো জয় অর্জন করতে পারেনি, চারটি ম্যাচের পর শূন্য জয় নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করে। তাদের শেষ স্কোর ১১৮/৮ ছিল, যা তাদের শিকারী দলের শক্তিশালী ব্যাটিং ও বোলিংয়ের সামনে যথেষ্ট না ছিল।
এই জয় এবং কানাডার পরাজয় উভয়ই আফগানিস্তানের টুর্নামেন্টের শেষ অধ্যায়কে চিহ্নিত করে। দলটি এখন ভবিষ্যৎ টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও কৌশল পুনর্বিবেচনা করবে, বিশেষ করে সুপার ইটস পর্যায়ে অগ্রসর হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উন্নয়নমূলক দিকগুলোতে মনোযোগ দেবে।
সারসংক্ষেপে, ইব্রাহিম জাদরানের আক্রমণাত্মক শট এবং মোহাম্মদ নাবির বোলিং পারফরম্যান্স আফগানিস্তানকে টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিদায় নিতে সাহায্য করেছে, যদিও দলটি সুপার ইটস পর্যায়ে অগ্রসর হতে পারেনি।



