23 C
Dhaka
Thursday, February 19, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিযুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ডের নেতারা তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী পদ গ্রহণে শুভেচ্ছা জানালেন

যুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ডের নেতারা তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী পদ গ্রহণে শুভেচ্ছা জানালেন

যুক্তরাজ্য প্রধানমন্ত্রী কীর্স স্টার্মার এবং সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পার্মেলিন দুজনই ১৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী পদ গ্রহণের জন্য আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। উভয় নেতাই চিঠির মাধ্যমে নতুন সরকারের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা তুলে ধরেছেন। এই পদক্ষেপগুলো আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশ সরকারের নতুন দিকনির্দেশনার প্রতি স্বীকৃতি নির্দেশ করে।

স্টার্মার ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানকে একটি চিঠি লিখে তার নির্বাচনী জয় এবং প্রধানমন্ত্রী পদ গ্রহণে অভিনন্দন জানিয়েছেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তারেকের নেতৃত্বে দু’দেশের সহযোগিতা আরও দৃঢ় হবে। এই বার্তাটি যুক্তরাজ্যের উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।

যুক্তরাজ্য প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে তিনি তারেকের নেতৃত্বে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সম্প্রসারণের আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। তিনি দু’দেশের ভাগ করা মূল্যবোধ এবং ঐতিহাসিক বন্ধুত্বকে ভিত্তি করে ভবিষ্যৎ কাজের পরিকল্পনা করেছেন। স্টার্মার এই দৃষ্টিভঙ্গি দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।

স্টার্মার উল্লেখ করেছেন যে, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশে অন্যতম বৃহৎ বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে তার ভূমিকা বজায় রাখবে। তিনি বিশেষ করে অবকাঠামো, শক্তি এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এছাড়া, যুক্তরাজ্য রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বাংলাদেশে চলমান সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পার্মেলিনও তারেক রহমানকে একটি শুভেচ্ছা চিঠি পাঠিয়ে তার নতুন মেয়াদের সফলতা কামনা করেছেন। পার্মেলিনের চিঠিতে তিনি তারেকের নিযুক্তিকে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি নতুন সরকারের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী ছিলেন।

পার্মেলিনের বক্তব্যে সুইজারল্যান্ড এবং বাংলাদেশে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি পারস্পরিক স্বার্থের ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা উল্লেখ করেছেন, বিশেষ করে শিক্ষা, গবেষণা ও টেকসই উন্নয়ন ক্ষেত্রে। এই প্রত্যাশা দু’দেশের ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সংলাপের ভিত্তি গড়ে তুলবে।

দুই দেশের নেতার এই শুভেচ্ছা বাংলাদেশ সরকারের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেকের অধীনে বিদেশি বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং মানবিক সহায়তা ক্ষেত্রে নতুন নীতি গড়ে তোলার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়িয়ে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন যে, যুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ডের এই ইতিবাচক সাড়া দেশের বহুপাক্ষিক নীতি বাস্তবায়নে সহায়ক হবে। বিশেষ করে অবৈধ অভিবাসন, জলবায়ু পরিবর্তন ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই, এই চিঠিগুলো কূটনৈতিক মঞ্চে নতুন সংলাপের দরজা খুলে দেবে।

বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে স্টার্মার এবং পার্মেলিনের চিঠির উত্তর দিয়ে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার কাঠামো নির্ধারণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। দু’দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক মিটিং এবং উচ্চ পর্যায়ের আলোচনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় অর্থনৈতিক বিনিয়োগ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নিরাপত্তা ক্ষেত্রে যৌথ প্রকল্পের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে।

সারসংক্ষেপে, তারেকের প্রধানমন্ত্রী পদ গ্রহণে যুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ডের নেতাদের শুভেচ্ছা আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের নতুন দিকনির্দেশনার স্বীকৃতি নির্দেশ করে। ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিস্তৃতি দেশের উন্নয়ন লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উভয় দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংলাপ এবং সহযোগিতা বাংলাদেশকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শক্তিশালী করবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments