24 C
Dhaka
Thursday, February 19, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিআট উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড পাইলট চালু, ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

আট উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড পাইলট চালু, ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

বাংলাদেশ সরকার আগামী ঈদুল ফিতরের আগে আটটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রকল্প শুরু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের তত্ত্বাবধানের জন্য অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কমিটিতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী, তার প্রতিমন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রীরাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এদের সমন্বয়ে গঠিত দলটি ফ্যামিলি কার্ডের নকশা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং সুবিধাভোগী নির্ধারণের মানদণ্ড প্রণয়নে কাজ করবে।

কমিটির প্রধান কাজ হবে কার্ডের কাঠামো নির্ধারণ এবং কারা কার্ডের অধিকারী হবে তা নির্ধারণের প্রক্রিয়া তৈরি করা। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আটটি বিভাগ থেকে প্রত্যেকটি থেকে একটি করে উপজেলা নির্বাচন করে সেখানে পাইলট চালু করা হবে। এই পদ্ধতি মাধ্যমে নীতি বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা ও সমস্যাগুলি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে যে, নারী কল্যাণের জন্য বর্তমানে চলমান অন্যান্য সরকারি কর্মসূচিগুলিকে ফ্যামিলি কার্ডের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না, তা কমিটি বিশ্লেষণ করবে। এ ধরনের সংহতি ভবিষ্যতে নীতির কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

সরকারের লক্ষ্য হল ঈদুল ফিতরের পূর্বে এই কার্ডগুলোকে লক্ষ্যবস্তু গৃহস্থালিতে বিতরণ করা। এই সময়সীমা পূরণে কমিটিকে ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে, যাতে পাইলটের অগ্রগতি ও প্রাথমিক ফলাফল উপস্থাপন করা হবে।

কমিটির সভা প্রয়োজন অনুসারে অনুষ্ঠিত হবে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। মন্ত্রণালয়ের এই সহায়তা কমিটির কার্যক্রমকে সুষ্ঠু ও সময়মতো সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র গৃহস্থালির আর্থিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবার প্রবেশাধিকার বাড়ানোর আশা করা হচ্ছে। সরকার এই উদ্যোগকে সামাজিক সুরক্ষা জালের সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচনা করছে।

এ পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দল থেকে স্পষ্ট বিরোধী মন্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে নীতির বাস্তবায়ন ও তহবিলের ব্যবহার সম্পর্কে ভবিষ্যতে প্রশ্ন উঠতে পারে। সরকার এ বিষয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং সকল স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

পাইলট প্রকল্পের ফলাফল যদি সফল প্রমাণিত হয়, তবে তা দেশের বাকি সব উপজেলায় বিস্তৃত করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে নীতি সংশোধন, তহবিল বরাদ্দ এবং পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়া পুনরায় মূল্যায়ন করা হবে।

সামগ্রিকভাবে, ফ্যামিলি কার্ড পাইলটের সূচনা এবং ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটির গঠন বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক সুরক্ষা নীতির নতুন দিক নির্দেশ করে। পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে কমিটির কাজের অগ্রগতি ও প্রাথমিক প্রতিবেদন দেশের নীতি নির্ধারকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসূত্র হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments