30 C
Dhaka
Thursday, February 19, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সরকারী ও স্থানীয় কর্মসূচি ঘোষণা

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সরকারী ও স্থানীয় কর্মসূচি ঘোষণা

একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে। তথ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক বিবরণীতে এই কর্মসূচির বিশদ জানানো হয়েছে।

সমস্ত সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা বিধিমালা অনুযায়ী অর্ধনমিত থাকবে। পতাকার সঠিক মাপ ও উত্তোলনের পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ প্রচার চালানো হবে।

বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং সকল বেসরকারি টেলিভিশন, রেডিও ও প্রিন্ট মিডিয়াকে পতাকার সঠিক ব্যবহার ও উত্তোলনের নিয়মাবলী প্রচার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মিডিয়া এই তথ্যকে বিস্তৃতভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেবে।

শহীদ দিবস ও মাতৃভাষা দিবসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব পরিকল্পনা অনুসারে অনুষ্ঠান পরিচালনা করবে। সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোও যথাযথ মর্যাদায় এই দিনটি উদযাপন করবে।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। তাদের পরেই বিদেশি দূতাবাসের প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা এবং রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর নেতারা শহীদ মিনারে সমবেত হয়ে সম্মান জানাবে।

শহীদ মিনার চত্বর ও আজিমপুর কবরস্থান এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। অতিরিক্ত জনসমাবেশ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে কোনো অপ্রিয় পরিস্থিতি রোধ করা হবে।

সব সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, বাংলাদেশ বেতার এবং কমিউনিটি রেডিওকে একুশের অনুষ্ঠানমালা প্রচার করতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে টেলিভিশন ও রেডিওতে ঐতিহাসিক দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরে বিভিন্ন প্রোগ্রাম সম্প্রচার করা হবে।

ঢাকার বিভিন্ন সড়ক দ্বীপ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাংলাসহ দেশের অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর বর্ণমালা সম্বলিত ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হবে। এই সজ্জা শহীদ ও ভাষা শহীদদের স্মরণে শহরের দৃশ্যপটকে রঙিন করবে।

ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাতের জন্য দেশের সব মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা আয়োজন করা হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো একত্রে শোক ও স্মরণে অংশ নেবে।

বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বেসরকারি রেডিও ও টেলিভিশন বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করবে। পাশাপাশি প্রধান সংবাদপত্রগুলোও বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরবে।

গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ঢাকা মহানগরে ট্রাকের মাধ্যমে রাজপথে ভ্রাম্যমাণ সঙ্গীতানুষ্ঠান এবং নৌযানের সাহায্যে ঢাকা শহরের সংলগ্ন নৌপথে সঙ্গীতানুষ্ঠান পরিকল্পনা করেছে। এই উদ্যোগগুলো জনগণের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ অনুভূতি জাগাবে।

সর্বোপরি, সরকারী ও স্থানীয় স্তরে সমন্বিতভাবে গৃহীত এই কর্মসূচিগুলো শহীদ ও ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং জাতীয় ঐক্যবদ্ধতা বজায় রাখার লক্ষ্যে বাস্তবায়িত হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments