30 C
Dhaka
Thursday, February 19, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশের আগে প্রার্থীর যোগ্যতা তদন্ত এড়িয়ে গেছে

নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশের আগে প্রার্থীর যোগ্যতা তদন্ত এড়িয়ে গেছে

১৩তম জাতীয় সংসদীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর, শুশাসনের জন্য নাগরিক (শুজান) গেজেট প্রকাশের আগে প্রার্থীর অযোগ্যতা সংক্রান্ত অভিযোগগুলো তদন্ত না করে প্রকাশ করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে। শুজানের সচিব বাদিয়ুল আলম মজুমদার আজ ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়টি তুলে ধরেন।

মজুমদার জানান, গেজেটটি রাতের দেরিতে কোনো তদন্ত ছাড়াই প্রকাশ করা হয়েছে এবং এভাবে কমিশন তার দায়িত্ব থেকে পিছু হটে গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, অযোগ্য প্রার্থীদের অংশগ্রহণ ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে এবং নির্বাচনের ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারে।

নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রার্থীর যোগ্যতা যাচাইয়ের ক্ষমতা রয়েছে; প্রয়োজন হলে ফলাফল বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন আদেশ করা সম্ভব। তবে শুজান দাবি করে যে, এই ক্ষমতা ব্যবহার না করে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে কমিশন প্রক্রিয়াটিকে দ্রুত শেষ করেছে।

শুজানের তথ্য অনুযায়ী, বেশ কয়েকজন প্রার্থী নির্বাচনের আগে ঋণ ডিফল্টের অভিযোগের মুখে ছিলেন। কিছু প্রার্থী আদালতের স্থগিতাদেশ পেয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পেরেছেন, আবার কিছু প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্বের সন্দেহও উঠে এসেছে। প্রয়োজনীয় নথিপত্র না জমা দিয়ে দ্বৈত নাগরিকত্বধারী প্রার্থীদেরও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

শুজান কমিশনকে এই বিষয়গুলো গেজেট প্রকাশের আগে তদন্ত করে সিদ্ধান্ত নিতে আহ্বান জানায় এবং নির্বাচনের পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফলাফল ন্যায়সঙ্গত কিনা তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করার সুপারিশ করে। তবে মজুমদার উল্লেখ করেন, গেজেট প্রকাশের পরেও কমিশনকে অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রতিনিধি জনগণ আদেশের ধারা ৯১ অনুসারে, গেজেট প্রকাশের পরেও প্রার্থীর শপথপত্রে উল্লেখিত তথ্যের ভুল বা অসঙ্গতি নিয়ে অভিযোগ দায়ের করা যায় এবং কমিশন তা তদন্তের অধিকার রাখে। এই ধারার ভিত্তিতে কমিশন এখনও ফলাফল বাতিল করে পুনর্নির্বাচন আদেশ করতে পারে।

শুজান কর্তৃক উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২৯৭ জন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের মধ্যে প্রায় অর্ধেকেরও বেশি প্রার্থীর বিরুদ্ধে আর্থিক দায়িত্ব, ঋণ ডিফল্ট বা দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ রয়েছে। এই পরিসংখ্যান নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিয়ে ব্যাপক সন্দেহ সৃষ্টি করেছে।

এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, যদি কমিশন যথাযথ তদন্ত না করে গেজেটের ভিত্তিতে ফলাফল নিশ্চিত করে, তবে ভবিষ্যতে নির্বাচনী আইনের কার্যকারিতা ও জনসাধারণের বিশ্বাসে ক্ষতি হতে পারে। অন্যদিকে, শুজান ও অন্যান্য নাগরিক সংগঠনগুলো এই বিষয়গুলোকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রকাশ করেছে।

অবশেষে, শুজান দাবি করে যে, নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কোনো আপত্তি থাকলে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশোধনের সুযোগ পাবে এবং নির্বাচন কমিশনকে তার আইনগত দায়িত্ব পালন করতে হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments