30 C
Dhaka
Thursday, February 19, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিঅন্তর্বর্তী সরকারের চুক্তি ও নীতি পর্যালোচনার প্রয়োজন ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য উল্লেখ করেন

অন্তর্বর্তী সরকারের চুক্তি ও নীতি পর্যালোচনার প্রয়োজন ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য উল্লেখ করেন

ঢাকার নাগরিক প্ল্যাটফর্মের এক অনুষ্ঠানে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, সিপিডি‑এর সম্মাননীয় ফেলো, গত বৃহস্পতিবার মন্তব্য করেন যে, পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকার বিদেশের সঙ্গে যেসব চুক্তি সম্পাদন করেছে, সেগুলোকে বিশদভাবে পর্যালোচনা করা জরুরি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নতুন সরকারের নীতি ও পরিকল্পনার সঙ্গে এই চুক্তিগুলোর সামঞ্জস্যতা যাচাই না করলে ভবিষ্যতে অপ্রত্যাশিত সমস্যার মুখোমুখি হতে হতে পারে।

ড. ভট্টাচার্য উল্লেখ করেন, যদি নতুন সরকার এলডিসি (কম উন্নত দেশ) উত্তরণকে অগ্রাধিকার দেয়, তবে অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোও পুনরায় বিশ্লেষণ করা উচিত। এ জন্য তিনি একটি স্বতন্ত্র ‘ট্রানজিশন দল’ গঠন করার প্রস্তাব দেন, যাতে উভয় সরকারের নীতি সমন্বয় করা যায়। তিনি জানান, এলডিসি উত্তরণকে ত্বরান্বিত করতে নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে গতকাল একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ড. ভট্টাচার্য সরকারের কাজের গতি সম্পর্কে সতর্কতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সরকারকে কিছুটা শ্বাস নিতে হবে এবং সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা কি দ্রুতগতিতে (স্প্রিন্ট) অগ্রসর হবে নাকি দীর্ঘমেয়াদী (ম্যারাথন) দৌড়ে অংশ নেবে। ১৮০ দিনের পরিকল্পনা শুরুর আগে ধৈর্য ধরার পরামর্শ তিনি দেন, কারণ এই অর্থবছরে বড় কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যুক্তিযুক্ত নয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম বড় ব্যর্থতা হিসেবে ড. ভট্টাচার্য উল্লেখ করেন, তারা অর্থনৈতিক সংস্কারের স্পষ্ট কৌশলপত্র উপস্থাপন করতে পারেনি। শেষ মুহূর্তে পরিকল্পনামন্ত্রী একটি প্রতিবেদন তৈরির কথা উল্লেখ করে পদত্যাগ করেন, যা সরকারের নীতি দিকনির্দেশে অস্বচ্ছতা বাড়িয়ে দেয়।

ড. ভট্টাচার্য আরও বলেন, বর্তমান সরকারের উচিত এই চুক্তিগুলোর প্রভাব ও ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী বা বাদ দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চুক্তিগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্বীকৃতি না দিয়ে, তাদের শর্তাবলী ও বাস্তবায়নযোগ্যতা পর্যালোচনা করা উচিত।

এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোকে দেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হলে, বাংলাদেশ সরকার (বাংলাদেশ সরকার) তার উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে আরও দৃঢ় ভিত্তি পাবে। চুক্তি পর্যালোচনার মাধ্যমে সম্ভাব্য আর্থিক ও রাজনৈতিক ঝুঁকি কমিয়ে, দেশের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব হবে।

ড. ভট্টাচার্য শেষ পর্যন্ত বলেন, নতুন সরকার যদি স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা এবং কৌশলগত পরিকল্পনা অনুসরণ করে, তবে অন্তর্বর্তী সরকারের চুক্তিগুলোকে সঠিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে সরকার এই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে, দেশের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments