গুলশান এভিনিউতে অবস্থিত বাসা থেকে গমন করে তারেক রহমান আজ সেক্রেটারিয়েটের অফিসে দ্বিতীয় ধারাবাহিক দিন উপস্থিত হন। সকাল ৮:৩৪ টায় ব্যক্তিগত গাড়িতে রওনা হওয়া প্রধানমন্ত্রী ৪১ মিনিটের যাত্রা শেষে ৯:১৫ টায় সেক্রেটারিয়েটের দরজা পার হন। পথে চারটি ট্রাফিক সিগন্যালে গাড়ি থেমে লাল আলোতে অপেক্ষা করলেও তিনি নিয়ম মেনে চলার দৃশ্যটি নজরে আসে।
গন্তব্যে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্যাবিনেট সেক্রেটারি ড. নাসিমুল গনি এবং প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এবিএম আবদুস সত্তার প্রধানমন্ত্রীর স্বাগত জানিয়ে গৃহীত হন। দুজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপস্থিতি অফিসে প্রবেশের আনুষ্ঠানিকতা বাড়িয়ে দেয়।
মুখ্য সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পথচারীরা গাড়ি থামার সঙ্গে সঙ্গে তালি দিয়ে স্বাগত জানায়। তারেক রহমান হাত নেড়ে প্রতিক্রিয়া জানান, যা উপস্থিতদের মধ্যে উচ্ছ্বাসের স্রোত তৈরি করে। কিছু লোক গাড়ির কাছে এসে নিকট থেকে শুভেচ্ছা জানায় এবং মোবাইল ফোনে সেলফি তোলার দৃশ্যও দেখা যায়।
অফিসে প্রবেশের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রথম কাজ ছিল নিজের আসন গ্রহণ করা এবং সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত মন্ত্রী, সেক্রেটারি ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের কর্মস্থল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা। এ ধরনের সরাসরি জিজ্ঞাসা কর্মপরিবেশের স্বচ্ছতা ও সমন্বয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অফিসটি সেক্রেটারিয়েটের বিল্ডিং নং ১-এ অবস্থিত, যা সরকারী কাজের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। এই অফিসে তারেক রহমানের উপস্থিতি সরকারী কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হয়।
দ্বিতীয় দিন ধারাবাহিকভাবে অফিসে উপস্থিত হওয়া তারেক রহমানের কর্মসূচি তার নিয়মিততা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করে। ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলা এবং সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানো তার প্রশাসনিক শৃঙ্খলার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
এই ঘটনার মাধ্যমে দেখা যায় যে, প্রধানমন্ত্রীর দৈনন্দিন রুটিনে সাধারণ নাগরিকদের মতোই ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলা একটি স্বাভাবিক অংশ। এ ধরনের আচরণ জনসাধারণের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখার গুরুত্বকে পুনরায় জোরদার করে।
পথচারীদের তালি ও স্বাগত, পাশাপাশি গাড়ির পাশে সেলফি তোলার দৃশ্যটি সামাজিক মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা সরকারের সঙ্গে নাগরিকের সংযোগকে দৃঢ় করে।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপস্থিতি এবং তার কর্মপরিকল্পনা ভবিষ্যতে সরকারী নীতি ও কর্মসূচির বাস্তবায়নে প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত অফিসে গমন এবং কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে বলে অনুমান করা যায়।
তবে, এই প্রতিবেদনে কোনো অনুমান বা বিশ্লেষণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি; শুধুমাত্র ঘটনার বাস্তব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
সারসংক্ষেপে, তারেক রহমানের গুলশান এভিনিউ বাসা থেকে সেক্রেটারিয়েটের অফিসে দ্বিতীয় দিন ধারাবাহিক উপস্থিতি, সময়মতো গমন, ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলা এবং কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ—all এই বিষয়গুলো সরকারী কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত।



