30 C
Dhaka
Thursday, February 19, 2026
Google search engine
Homeব্যবসারোজা আগে বাজারে বেগুন‑লেবু‑শসার দাম দ্বিগুণ, নিম্ন‑মধ্যবিত্তে চাপ

রোজা আগে বাজারে বেগুন‑লেবু‑শসার দাম দ্বিগুণ, নিম্ন‑মধ্যবিত্তে চাপ

রোজা মাসের আগমনকে ঘিরে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির দামে তীব্র উত্থান দেখা গেছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালবেলা শসা, বেগুন, লেবু ও কাঁচা মরিচের দাম পূর্বের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্রয়ক্ষমতাকে প্রভাবিত করছে।

শসার দাম প্রতি কেজি ৯০ থেকে ১০০ টাকায় স্থির হয়েছে, যা দুদিন আগে ৭০‑৮০ টাকার সীমার নিচে ছিল। একই সময়ে গাজরের দাম ৪০ টাকায় স্থিতিশীল রয়ে গেছে।

খেজুরের বাজারেও তীব্র উত্থান লক্ষ্য করা যায়; কেজি দামের পরিসীমা ৪০০ টাকার নিচে থেকে ২,০০০ টাকায় পৌঁছেছে। বিশেষ করে মরিয়ম প্রকারের দাম ১১০০ টাকায়, আর আজোয়া প্রকারের দাম ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বেগুনের দাম এক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ১৪০‑১৫০ টাকায় পৌঁছেছে, যেখানে এক সপ্তাহ আগে এটি ৬০‑৭০ টাকার মধ্যে ছিল। একই সময়ে কাঁচা মরিচের দাম ১০০‑১৪০ টাকায়, পেঁপের দাম ১৬০‑১৮০ টাকায় বেড়েছে; উভয়ই পূর্বের তুলনায় প্রায় ২০‑৩০ টাকায় বেশি।

চাঁপা কলা ডজন প্রতি ৭০ টাকায়, তরমুজ কেজি প্রতি ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে আদা ও পেঁয়াজের দাম যথাক্রমে কেজি প্রতি ১৩০ টাকায় এবং ৫০ টাকায় স্থিতিশীল রয়ে গেছে।

লেবুর ক্ষেত্রে মাঝারি সাইজের এক হালি বর্তমানে ১০০‑১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যদিও বাজারে লেবুর পরিমাণ সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিক্রেতারা উল্লেখ করেন, আমদানি পরিমাণ বাড়লে দাম কমে এবং আমদানি কমে গেলে দাম বাড়ে। সাম্প্রতিক সময়ে আমদানি পরিস্থিতি উন্নত হওয়ায় কিছু পণ্যের দাম সামান্য কমেছে, তবে তা সামগ্রিক উত্থানকে থামাতে পারেনি।

আদা ও পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল থাকার মূল কারণ হল এই পণ্যের ধারাবাহিক আমদানি, যেখানে বেগুন, লেবু ও শসার মতো পণ্যগুলো মৌসুমী ঘাটতি ও সরবরাহের অপ্রতুলতার কারণে মূল্যবৃদ্ধি অনুভব করছে।

নিম্ন ও মধ্যবিত্ত গোষ্ঠীর জন্য এই মূল্যবৃদ্ধি বিশেষভাবে কঠিন, কারণ রোজার উপবাসে খাবারের চাহিদা বাড়ে এবং মূল্যের এই হঠাৎ উত্থান তাদের দৈনন্দিন ব্যয়ের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।

বাজারে তদারকি ও নজরদারির অভাবের ফলে অনিয়মিত ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিয়ে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি ভোক্তা অধিকার রক্ষার জন্য তাত্ক্ষণিক নীতি হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে।

অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, খাদ্যদ্রব্যের এই তীব্র মূল্যবৃদ্ধি সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতিতে অবদান রাখবে এবং গৃহস্থালির ব্যয় কাঠামোকে প্রভাবিত করবে। বিশেষ করে রোজার সময়কালে ভোগ্য পণ্যের দামের এই অস্থিরতা ভোক্তা মূল্যের সূচকে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি করতে পারে।

ভবিষ্যৎ দৃষ্টিতে, যদি আমদানি পরিমাণ স্থিতিশীল থাকে এবং বাজার তদারকি শক্তিশালী হয়, তবে এই অস্থিরতা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যথায়, সরবরাহের ঘাটতি ও অনিয়মিত মূল্য নির্ধারণের কারণে বাজারে পুনরায় মূল্য উত্থান ঘটতে পারে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments